‘থ্রেট কালচার থেকে আমাদের মুক্তি নেই’, হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও কেন আক্ষেপ শিক্ষার্থীদের

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে চলমান এক ছাত্র আন্দোলনের জেরে কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এবং হাইকোর্টের রায় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কলেজ কাউন্সিলের স্বাধীনতা, শাসকদলের হস্তক্ষেপ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থ্রেট কালচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে কিছু ছাত্র থ্রেট কালচারের অভিযোগে জড়িত ছিল। কলেজ কাউন্সিল এই ছাত্রদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।হাইকোর্ট এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়।সার্জারির বিভাগীয় প্রধান নিশীথ মল্লিক এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। তিনি মনে করেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত খারিজ হওয়ার পরও কিছু ছাত্র অধ্যক্ষের দফতরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

ছাত্ররা দাবি করে যে, কলেজ কাউন্সিলের স্বশাসিত সিদ্ধান্তকে অমান্য করে সরকার এবং প্রশাসন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ দাবি করে যে, ছাত্র আন্দোলনের চাপে বাধ্য হয়ে তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থ্রেট কালচার একটি গুরুতর সমস্যা।কলেজ কাউন্সিলের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা।
হাইকোর্টের রায় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের এই ঘটনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিরাজমান অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, কাউন্সিলের স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখা জরুরি।