“আরজি করের মতো পথে নামুন”-বামেদের উদ্যোগকে কটাক্ষ করে পাল্টা ‘ইনসাফ’ চান ছত্রধর

ছত্রধর মাহাতোর ঝাড়গ্রামে ফিরে আসা এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়বস্তু গভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে। এই ঘটনাটি জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ছত্রধর মাহাতো সরাসরি জঙ্গলমহলের মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। তিনি আরজি করের ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে দিয়ে নাগরিক সমাজকে জঙ্গলমহলের মানুষদের জন্য বিচার চাইতে আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। তবে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলার কথা বলেছেন।
ছত্রধর মাহাতো বিজেপিকে গণতন্ত্রের বিরোধী বলে দাবি করেছেন এবং তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন।ছত্রধর মাহাতো আদিবাসীদের অধিকারের জন্য লড়াই করে চলেছেন। তিনি জঙ্গলমহলের মানুষদের যাতে ন্যায়বিচার মিলুক তাই চান।
এই ঘটনার গুরুত্ব:
ছত্রধর মাহাতোর ফেরা জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি আবারও জঙ্গলমহলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন।ছত্রধর মাহাতো আদিবাসীদের অধিকারের জন্য কাজ করে চলেছেন। তাঁর ফেরা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন। এই ঘটনা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ভবিষ্যতে কী হতে পারে?
ছত্রধর মাহাতোর ফেরার ফলে জঙ্গলমহলে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।আদিবাসীদের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হতে পারে।কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে আরও বিতর্ক দেখা দিতে পারে।
ছত্রধর মাহাতোর জঙ্গলমহলে ফেরা একটি জটিল রাজনৈতিক ঘটনা। এই ঘটনার ফলাফল কী হবে তা সময়ই বলবে। তবে এই ঘটনা জঙ্গলমহলের রাজনীতি এবং আদিবাসীদের অধিকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়ে এসেছে।