বিশেষ: ১৩ নম্বর মানেই কী অশুভ? কোনো হোটেলে ১৩ নম্বর রুম থাকেই না কেনো ?

সাধারণত পশ্চিমা দেশগুলোকে তথ্য-প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশ। এরা বিজ্ঞান চর্চাকে নিয়ে গেছে অন্য মাত্রায়। তাইবলে কুসংস্কার এরা ত্যাগ করেনি। দেশগুলো তাদের যুক্তিবাদী চিন্তাধারা, বিজ্ঞান মনস্কতা প্রাচ্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক দৃঢ়। কিন্তু আদতে তা পুরোপুরি নয়।

পশ্চিম বিশ্বের লোকেরাও যথেষ্ট কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। তাদের মতে, ১৩ নম্বরটি অত্যন্ত অশুভ। ১৩ নম্বর নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের ভয় কাজ করে, যাকে বলা হয় ট্রিস্কাইড ফোবিয়া।

>>এই কাহিনির সঙ্গে সত্যের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা জানা যায় না। তবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী বিশ্বাস করা হয় যে, যিশুখ্রিস্টর সঙ্গে কোনো এক ব্যক্তি একবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। ঐ ব্যক্তি যিশুর সঙ্গে বসে খাবার খেয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে, সেই ব্যক্তি যে চেয়ারে বসেছিলেন তার নম্বর ছিল ১৩ নম্বর। এই ঘটনার পর থেকেই নাকি ১৩ সংখ্যাটি পাশ্চাত্যে বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

>>শুনে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু ১৩ নম্বরের ভীতির কিন্তু কোনো শেষ নেই। এই যেমন ফ্রান্সের কথা ধরা যাক। এই দেশের কোনো হোটেল বা রেস্তোরাঁয় ১৩ নম্বর চেয়ার থাকে না। এই অলিখিত নিয়মটি এদেশের ব্যবসায়ীরা কঠোরভাবে মেনে চলেন। তাদের ভয়, তেরো নম্বর চেয়ার থাকলে বা সেখানে কোনো অতিথি বসলে কোনো অশুভ ঘটনা ঘটতে পারেন।

>> এতো গেল পশ্চিমের কথা, ভারতও কম যায় না। ভারতের চণ্ডীগড়ে গেলে দেখবেন যে সেখানে ১২ নং সেক্টরের পরেই রযেছে ১৪ নম্বর সেক্টর। মাঝের ১৩ নম্বর সেক্টরের কোনো অস্থিত্ব নেই। শহরের মানচিত্র নির্মাণকারী স্থপতিও ১৩ নম্বরটিকে অশুভ বলে মনে করেছিলেন।