বিশেষ: ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরী করবেন যেভাবে, জেনেনিন কী কী নিয়ম পরিবহণ দফতরের?

রাজ্য সরকার সম্প্রতি একটি নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে যেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীদের নথির সংখ্যা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়েছে।
পূর্বে স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে সাতটি নথির মধ্যে যেকোনো একটি দিলেই লাইসেন্স পাওয়া যেত।
নতুন নিয়ম অনুসারে, আবেদনকারীদের পাসপোর্ট, রাজ্য-কেন্দ্র বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পরিচয়পত্র, চাকরির শংসাপত্র, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ক্ষেত্রে সরকারি সার্টিফিকেট, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, বিদ্যুৎ, জলের সংযোগের নথি, পোস্ট-পেড মোবাইলের বিল, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের পাসবই, ট্রেড লাইসেন্স, সম্পত্তিকরের কাগজ, তফসিলি জাতি-উপজাতির শংসাপত্রের মধ্যে যেকোনো একটি নথি জমা দিতে হবে।
এই নিয়ম পরিবর্তনের ফলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া আরও সুষ্ঠু ও নির্ভরযোগ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন:
কেন্দ্রীয় সরকার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনেছে।নতুন নিয়ম অনুসারে, আবেদনকারীদের সরকারি আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসে (RTO) পরীক্ষা দিতে হবে না।পরিবর্তে, তারা তাদের পছন্দের যেকোনো বেসরকারি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবেন।এই নতুন নিয়ম আগামী জুন মাস থেকে কার্যকর হবে।
নতুন নিয়ম নিয়ে বিতর্ক:
বেসরকারি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের হাতে পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়ার ফলে এর অপব্যবহার হতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।অযাচিত অনেকে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই লাইসেন্স পেয়ে যেতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।সরকার এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার আগে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নথির সংখ্যা বৃদ্ধি ও পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের ফলে কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই দেখা দিতে পারে। নতুন নিয়মগুলি কতটা কার্যকর হবে তা সময়ই বলে দেবে।