বার বার বারণ করতাম, শুনত না: বিস্ফোরক অর্পিতা

শনিবার সকালে অর্পিতাকে আটক করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। অবশেষে মুখ খুললেন মন্ত্রী ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা। টালিগঞ্জ ও বেলঘড়িয়ায় রাখা টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরই। ইডির জেরায় একথা স্বীকার করে নিলেন তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখার্জি। ৫০ কোটি টাকারও বেশি নগদের ‘মালিক’ ও উৎসের সন্ধানে ইডির আধিকারিকদের লাগাতার প্রশ্নের কারণে ভেঙে পড়লেন মন্ত্রী ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা।
তিনি জানালেন, ‘আমার ফ্ল্যাটে টাকা রাখার কাজ করাতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওনার নির্দেশে দলের ছেলেরা টাকা রেখে যেত। আমার অনুমতি ছাড়াই এই কাজ করতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আমার অনুমতি ছিল না এই কাজে। বার বার বারণ করেছি, শুনত না।
প্রসঙ্গত, সূত্রের খবর, মন্ত্রী ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখার্জি জানিয়েছেন, টাকা রাখতেন সেটা জানতাম কিন্তু কত টাকা রাখতেন তা জানতাম না। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কর্মীরা ফ্ল্যাটে এসে টাকা রেখে যেত। যে ঘরে তারা টাকা রাখত সেঘরে তাঁর প্রবেশের অনুমতি ছিল না। মাঝে মাঝে ফ্ল্যাটে আসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ যখন ওই ঘরে ঢুকতেন তখন আমি সেখানে যেতাম না।