R.G Kar: ৬ মাসে খোলা বাজারে বিক্রি ১ লক্ষ কেজি চিকিৎসা-বর্জ্য! ED র হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছয় মাসে ওই হাসপাতাল থেকে অন্তত এক লক্ষ কেজি চিকিৎসা বর্জ্য পাচার হয়ে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং বাংলাদেশে বিক্রি হতো। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে এই ভয়াবহ চক্রের হদিশ মিলেছে। হাসপাতালে প্রতিদিন দুই হাজার রোগীর চিকিৎসা হওয়া সত্ত্বেও, বর্জ্যের পরিমাণ হিসাব মেলছিল না।
আরজি কারের কাছে কাছে শয্যা সংখ্যার আর এক সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এনআরএস-এও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, হাসপাতালের শীর্ষ কর্তারা, জনৈক শঙ্কর রাউত, মহম্মদ আফজল এবং আফসার আলি খানের সঙ্গে মিলে এই অবৈধ ব্যবসা চালাত। প্লাস্টিকের সিরিঞ্জ, গ্লাভস ইত্যাদি রিসাইকল করে বিক্রি করে তারা লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করত।
চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন, এই পাচারের ফলে সাধারণ মানুষ ভয়ঙ্কর সংক্রমণের শিকার হতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘চিকিৎসা-বর্জ্যের যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে সংক্রমণের। বিশেষ করে এইচআইভি, হেপাটাইটিস-বি এবং হেপাটাইটিস-সি সংক্রমণের।’