১১৪টি পোশাক কারখানা বন্ধ, বাংলাদেশের চিন্তা বাড়াচ্ছে শ্রমিক বিক্ষোভ

বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরে অশান্তি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বেতন বাকি, বোনাস না পাওয়া এবং চাকরিচ্যুত হওয়ার প্রতিবাদে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামায়। ফলে ঢাকার আশুলিয়া, জিরানি ও গাজিপুরের ১১৪টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরও ৫৭টি কারখানা অস্থায়ীভাবে বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে, গাজিপুরে একদল বিক্ষুব্ধ শ্রমিক একটি কারখানায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় কোম্পানির গোডাউন পুড়ে যায়। দমকল বাহিনী শ্রমিকদের বাধার কারণে দেরিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস শ্রমিক-মালিকদের মধ্যে সমঝোতা করে কারখানা চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কারখানা বন্ধ থাকলে শ্রমিক, মালিক এবং দেশ সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু তাঁর আহ্বান সত্ত্বেও পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর নেতারা কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু কিছু নেতা আশুলিয়ার মালিকদের সাথে আলোচনা করে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে অনেক কারখানা চালু হলেও অনেক কারখানা এখনও বন্ধ রয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিক-মালিকের মধ্যে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, এই আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হবে।