“সবার নামেই এমন কেস আছে”-নারী নির্যাতনের কেস নিয়ে প্রশ্ন করতেই ক্ষিপ্ত ‘ছাত্র’-নেতা

‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’-এর স্বঘোষিত নেতা শুভঙ্কর হালদারের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা দাবি করেছেন যে, শুভঙ্করের বিরুদ্ধে নবদ্বীপ থানায় এই সংক্রান্ত একটি মামলা রয়েছে।
নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েও নিজে নারী নির্যাতনের অভিযুক্ত হওয়ায় শুভঙ্করের দ্বিমুখী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভঙ্করের মেজাজ খুব খারাপ হয়ে যায়। তিনি দাবি করেন যে, এই অভিযোগগুলি রাজ্য সরকারের ষড়যন্ত্র। তিনি আরও দাবি করেন যে, তিনি বিজেপি এবং আরএসএস-এর সক্রিয় সদস্য এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তৃণমূলের অরূপ চক্রবর্তী এবং তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযোগ তুলেছেন। তৃণাঙ্কুরের দাবি, শুভঙ্কর একসময় তৃণমূলের সদস্য ছিলেন এবং পরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।
তৃণাঙ্কুরের অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে শুভঙ্করের বক্তব্য, ‘রেপ কেস হলে ৩৭৬ ধারায় (ভারতীয় দণ্ডবিধির) মামলা হয়। সেটা কি উনি (তৃণাঙ্কুর) দেখাতে পারবেন?’ তাঁর আশঙ্কা, তাঁকে ফেক কেসে আবার ফাঁসানো হতে পারে। কিন্তু নারী নির্যাতনের মামলা কি তাঁর বিরুদ্ধে আছে? এই প্রশ্ন শুনে আবারও মেজাজ হারান তিনি। বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, সবার নামেই এমন কেস আছে।’
শুভঙ্করের দাবি অনুযায়ী তিনি একজন স্কুল শিক্ষক এবং ছাত্র সঙ্ঘ করেন। তবে তিনি একইসাথে দাবি করেন যে তিনি একজন ছাত্র। একজন মহিলা ‘ছাত্র সমাজ’-এর প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে তিনি হাওড়া গার্লস কলেজে হিস্ট্রি নিয়ে এমবিএ করেন।
এই ঘটনায় বিতর্ক বাড়ছে এবং রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।