বাংলাদেশ থেকে পালাতে গিয়ে মৃত হাসিনার দলের ছাত্র নেতা, ফের জ্বলছে ঢাকা, আহত ৫০ পার

গত রবিবার, ২৫ অগাস্ট, ঢাকার সচিবালয়ের সামনে ছাত্র এবং আনসার সদস্যদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছিল। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষেরই অনেকে আহত হয়েছেন।
এই সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল ছাত্র বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। এই আন্দোলনের সমর্থকরা অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। অন্যদিকে, আনসার সদস্যরা তাদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত ছিলেন। এই দুই আন্দোলনের সংযোগে সচিবালয়ের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ছাত্ররা রাজু স্মৃতি ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে মিছিল করে। পুলিশের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছে। সংঘর্ষের সময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দও শোনা গিয়েছিল।
এই সংঘর্ষে অনেক ছাত্র এবং আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া, ছাত্রলীগের একজন নেতা ভারতে পালানোর সময় মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর থেকে ঢাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই সংঘর্ষের মূল কারণ হল দুটি গোষ্ঠীর দাবি এবং সরকারের প্রতিবাদের পরিস্থিতি। ছাত্ররা গণতন্ত্র এবং ন্যায়বিচারের দাবি করছিল, অন্যদিকে আনসার সদস্যরা তাদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি করছিল। এই দুই দাবির মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছিল।
ঢাকায় ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই ঘটনা দেখিয়েছে যে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কতটা অস্থির।
এদিকে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতেনর পর আওয়ামী লীগের নেতাদের অবস্থা ক্রমেই সঙ্গীন হচ্ছে। রবিবার একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দলের ছাত্র সংগঠনের এক নেতা ভারতে পালানোর সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।