বাংলায় বৈধ বাজি তৈরির প্রশিক্ষণ, সরকারি লাইসেন্সে ফের খুলবে না তো অবৈধ পথ?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গেও সবুজ বাজি তৈরির দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে এই পদক্ষেপ স্বাগতযোগ্য হলেও, এর পেছনে বেশ কিছু চিন্তার বিষয় রয়েছে।

পূর্ব মেদিনীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় অনৈতিক বাজি কারখানাগুলো বহুদিন ধরেই চলে আসছে। এই কারখানাগুলিতে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যাতে অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকে আশঙ্কা করছেন যে, সবুজ বাজির লাইসেন্স পেয়ে এই অবৈধ কারখানাগুলো আরও বেড়ে যেতে পারে।

অভিযোগ উঠেছে যে, এই কারখানাগুলোতে শেল এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ বিস্ফোরক তৈরি করা হয়।রাজ্য সরকার সবুজ বাজি তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, কিন্তু এই প্রশিক্ষণ সত্যিই পরিবেশবান্ধব বাজি তৈরিতে সাহায্য করবে নাকি বেআইনি কার্যকলাপকে উৎসাহিত করবে, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনেকে আশঙ্কা করছেন যে, সবুজ বাজির লাইসেন্সের অপব্যবহার করে বেআইনি বাজি তৈরি করা হতে পারে। বর্তমানে অনৈতিক বাজি কারখানাগুলোতে কোনও ধরনের নজরদারি নেই। পূর্ব মেদিনীপুরে বেআইনি বাজি কারখানাগুলোতে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা এই আশঙ্কাকে আরও জোরদার করেছে।

পরিবেশকর্মীরা দাবি করছেন যে, এই সমস্যা মোকাবিলায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বেআইনি বাজি কারখানাগুলো বন্ধ করা এবং লাইসেন্সধারী কারখানাগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা জরুরি।

সবুজ বাজি তৈরির উদ্যোগ স্বাগতযোগ্য হলেও, এর পাশাপাশি বেআইনি কার্যকলাপ রোধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নইলে, পরিবেশের পাশাপাশি মানুষের জীবনও বিপন্ন হতে পারে।