Chat GPT-দিয়ে মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে চেয়েছে ইরান? পাওয়া গেলো যোগসূত্র

সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা বেশ কিছু চ্যাটজিপিটি অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে ওপেনএআই, যেখানে অন্যান্য বিষয়াদির পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ভুয়া কনটেন্ট বানিয়ে সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হতো।

ওপেনএআইয়ের দাবি, এ কাজের মূল লক্ষ্য, চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে দীর্ঘ নিবন্ধের পাশাপাশি এক্স ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া মন্তব্য তৈরি করা।

সেইসব অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ‘স্টর্ম ২০৩৫’ নামের এক গোপন ইরানি সংগঠনের যোগসূত্র পেয়েছে ওপেনএআই, যা রাজনৈতিক সংবাদ প্রকাশকের ছদ্মবেশে ওয়েবসাইট চালু করে মার্কিন ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে, এ অপারেশনে মার্কিন নির্বাচনের উভয় পক্ষ নিয়ে ভাষ্য দেওয়ার পাশাপাশি ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ, অলিম্পিক গেইমসে ইসরাইল, ভেনেজুয়েলায় রাজনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রে ‘লাতিন সম্প্রদায়ের অধিকার’ নিয়েও কনটেন্ট তৈরি হয়েছে।

ওপেনএআই বলছে, তাদের তদন্তে উঠে এসেছে, এ প্রচারণায় ‘তেমন দর্শক সম্পৃক্ততা দেখা যায়নি’। এআই কোম্পানিটি আরও যোগ করে, তাদের ট্র্যাক করা বেশিরভাগ পোস্টে ‘লাইক, শেয়ার বা কমেন্ট’ নেই বললেই চলে।

মে মাসে ওপেনএআই ও মেটা ঘোষণা দিয়েছিল, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি প্রচারণা রুখে দিয়েছে, যেখানে এআই ব্যবহার করে ইনস্টাগ্রাম ও ফেইসবুকে বিভিন্ন ইসরায়েলপন্থী বার্তা পোস্ট হতো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শুরু হতে আর কয়েক মাস বাকি থাকলেও এমন হস্তক্ষেপ করার ঘটনা বেড়ে যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।

গত সপ্তাহে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেন, তার নির্বাচনী প্রচারণা সাইবার আক্রমণের শিকার ও ইরানের এক হ্যাকার দলের পাঠানো ‘ফিশিং’ ইমেইলের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে।

জুন মাসে ট্রাম্পের পাশাপাশি বাইডেন-হ্যারিসের প্রচারণায় সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই।