RG Kar -নিয়ে কিছু নেতার বিবৃতিতে অসন্তুষ্ট তৃণমূলনেত্রী মমতা, নাম না করে দিলেন বার্তা

“আরজি কর হাসপাতালে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসে ভেতরের কলহ শুরু হয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় এবং প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করেছেন।
সুখেন্দুশেখর রায় প্রতিবাদে অবস্থান করছেন এবং শান্তনু সেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনায় দলীয় নেতাদের মুখ না খুলতে বলেছিলেন, কিন্তু সুখেন্দু এবং শান্তনু তাঁর নির্দেশ অমান্য করেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ মনে করছে যে, সুখেন্দু এবং শান্তনু দলের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন।”
কারও নাম না-করে তৃণমূলনেত্রী বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের যাঁদের একটি কথাও বলতে বারণ করেছিলাম, তাঁদের মধ্যে দু’-একজন বলছেন, আমি ছেড়ে দিলাম মুখপাত্রের পোস্ট। তাঁদের আমরা আগেই সরিয়ে দিয়েছি। মনে রাখবেন, তাঁরাও কিন্তু চক্রান্তের মধ্যে ছিলেন। যখন আমরা জানতে পেরেছি, আমি তৃণমূল কংগ্রেস করে বলে রেয়াত করিনি।’
প্রবীণ সাংসদ সুখেন্দুর ব্যাখ্যা, ‘সারা বাংলা যে কথা বলছে, আমরাও সেই কথার প্রতিধ্বনি করছি। আমরা নীরবতার সঙ্গে সত্যাগ্রহ করছি। এই ঘটনায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেককে ধরতে হবে। যে দেশে নারীর সম্মান ভুলুন্ঠিত হয়েছে, সেই দেশ গোল্লায় গিয়েছে।’
হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নাম না-করে তিনি বলেন, ‘আরজি করের যিনি প্রধান ছিলেন, তিনি তো অরণ্যদেবের মতো বাউন্সার নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন!’
তিনি এ দিন সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আরজি করের মেডিক্যাল এডুকেশন গত কয়েক বছরে রসাতলে গিয়েছে। কয়েকজনকে খুশি করতে পারলে পরীক্ষার প্রশ্ন জানা যায়। পরীক্ষা হলে টোকাটুকি করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী মনে হয় সব জানেন না। সঠিক খবর তাঁর কাছে পৌঁছচ্ছে না। নেত্রী হয়তো ভুল বুঝতে পারেন আমাকে।’