“পুলিশ কে রবিবার পর্যন্ত সময়, নইলে কেস যাবে CBI-এর হাতে”-মুখ্যমন্ত্রী মমতা

কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে একজন চিকিৎসকের রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে।মৃত চিকিৎসকের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ধর্ষণের মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চিকিৎসকের শরীরে বহুবিধ আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে যৌনাঙ্গেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে পুলিশ সঞ্জয় রায়কে শনাক্ত করে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ নিহত ছাত্রীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর বাবা, মায়ের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। কথা শেষ করে ১টা ২৫ নাগাদ নির্যাতিতার বাড়ি থেকে বেরোন মুখ্যমন্ত্রী। বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা খুবই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ও বেদনাদায়ক। ইমিডিয়েট শাস্তি দিতে হবে। ফাস্টট্রাক আদালতে বিচার হবে। এতে জুডিশিয়াল প্রসেসটা তাড়াতাড়ি হবে। আমরা ফাঁসির দাবি জানাব।’
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, কিছু মানুষ এখনও সামাজিক মুল্যবোধ হারিয়েছে। মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া অপরাধ। সবাই ছিল কিন্তু কী করে ঘটনা ঘটল, এটা এখনও আমি বুঝতে পারছি না। বাবা মাও বলেছে যে, ওদের ভেতরেই কেউ আছে। কারও প্রতি যদি সন্দে হয় বন্ধুবান্ধব ও যিনি প্রথম ফোন করেছিলেন, তাঁকেও ডেকে কথা বলতে হবে। আমরা হাসপাতালের হেড অফ দ্যা ডিপার্টমেন্টকে সরিয়ে দিয়েছি। এসিপিকে সরিয়ে দিয়েছি। রবিবার পর্যন্ত যদি কূলকিনারা না করতে পারলে এটা আমরা সিবিআইকে দিয়ে দেব। কিন্তু ওদের সাকসের রেট কম। তাপসি মালিকের ধর্ষণ খুনের আজও বিচার হয়নি। নন্দীগ্রামের নিখোঁজেরও খোঁজ মেলেনি। রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাইজেরও খোঁজ মেলেনি। কিন্তু মানুষের স্যাটিসফেকশনের জন্য। যদিও কলকাতা পুলিশ বেস্ট পুলিশ ইন দ্য ওয়াল্ড।’
মুখ্যমন্ত্রী মমতা আরো বলেন “আগামী রবিবার পর্যন্ত পুলিশ কুল-কিনারা না করলে কেস CBI-এর হাতে তুলে দেব।”