RG Kar: আরজি করে বাড়নো হল পুলিশি নিরাপত্তা, এখনও থমথমে হাসপাতালের পরিবেশ

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ড এবং ধর্ষণের ঘটনাটি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির অপরাধ নয়, এটি সমাজের একটি গভীর সমস্যার প্রতিফলন। এই ঘটনাটি আমাদেরকে নারীর নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তিত করে তুলেছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে যে, অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় রাতের বেলায় ইয়ারফোন লাগিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছিল। তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় চিকিৎসককে খুন করে এবং পরে তার দেহের সঙ্গে অশ্লীল কাজ করেছিল। এই ঘটনাটি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতার প্রমাণ।

সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তিনি আগেও অনেক মহিলাকে উত্ত্যক্ত করেছিলেন এবং হুমকি দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে তিনি আইনের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা:

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হওয়ায় এই ঘটনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও দায়ী।

আরজি কর সপাতাল চত্বরে আবার বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা। মাঠে নেমেছে RAF। আসছেন পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তারা। ইতিমধ্যেই আরজি করের নিরাপত্তা নিয়ে উঠে গিয়েছে একগুচ্ছ প্রশ্ন। অভিযোগ, সন্ধ্যা নামতেই আরজি করে চলছে অন্ধকারের রাজত্ব। হাসপাতালের পিছনের অংশে যেখানে একাডেমিক বিল্ডিং, প্লাটিনাম বিল্ডিং রয়েছে সেই সব জায়গায় আলোর থেকে অন্ধকারই বেশি। বড় বড় লাইট থাকলেও তা জ্বলে না বলে অভিযোগ।

সমাজের প্রতিক্রিয়া:

এই ঘটনায় সারা দেশে তীব্র প্রতিবাদ হয়েছে। মানুষ নারীর নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।