‘চৌকিদারের চৌকিদারিত্ব করবে কে?’ SEBI ‘মেগাস্ক্যাম’ নিয়ে আসরে এবার বিরোধীরা

হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নতুন দাবির পর ভারতীয় রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হিন্ডেনবার্গের দাবি, আদানি গোষ্ঠীর অর্থ লেনদেনে সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচের যোগ রয়েছে। এই অভিযোগের পর বিরোধী দলগুলি কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেবিকে তীব্র সমালোচনা করছে।

কংগ্রেসের অভিযোগ:

কংগ্রেস দাবি করেছে যে, সেবি আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তদন্তে অনীহা দেখাচ্ছে। জয়রাম রমেশ একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘বিদেশি ফান্ড থেকে কে বা কারা কী ভাবে লাভবান হচ্ছে, সে সম্পর্কিত রিপোর্ট নিয়ে ২০১৮ সালে সেবি ধোঁয়াশা তৈরি করেছিল। ২০১৯ সালে সম্পূর্ণ মুছেই ফেলা হয়েছিল সেগুলি। তবে আদানি সম্পর্কিত রিপোর্ট প্রকাশের পর চাপের মুখে সেবি ২০২৩ সালের ২৮ জুন কড়া রিপোর্টিং রুল তৈরি করে। ২০২৩ সালের ২৫ অগস্ট সেবি জানায় একাধিক সন্দেহজনক লেনদেন নিয়ে তারা তদন্ত চালাচ্ছে। তবে সে তদন্তের কোনও ফল এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।’

কংগ্রেস নেতার সংযোজন, ‘হিন্ডেনবার্গের নয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে বুচ এবং তাঁর স্বামী বারমুডা এবং মরিশাসের সেই দুই অফসোর ফান্ডে ইনভেস্ট করেছে যেগুলিতে বিনোদ আদানি এবং তাঁর সহায়ক চ্যাং চুং লিং ও নাসের আলি শাহবান আহলি ইনভেস্ট করেছিলেন। সেবির নিয়ম লঙ্ঘন করেই সবটা হয়েছিল। এই ফান্ডে বুচের অংশিদারিত্ব রয়েছে, যা অবাক করার মতো ঘটনা।’

কংগ্রেসের প্রশ্ন, ‘চৌকিদারের চৌকিদারিত্ব কে করবে এবার?’

মহুয়া মৈত্রের প্রতিক্রিয়া:

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা সিবিআই এবং ইডি-কে অভিযোগ দায়ের করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, সেবি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত।

অন্যান্য বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া:

শিবসেনা এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র সমালোচনা করেছে। তারা দাবি করেছেন যে, আদানি গোষ্ঠী এবং সরকারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।