বাংলাদেশে হিন্দু সহ সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার- বড় পদক্ষেপ ঘোষণা অমিত শাহের

বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স (পূর্বের টুইটার) এ জানিয়েছেন, “মোদী সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিক, হিন্দু এবং সেখানে বসবাসকারী অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন এডিজি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ( ইস্টার্ন কমান্ড)।”
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি:
বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশটি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হলেও পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল হয়নি।
সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা:
বাংলাদেশের এই অস্থিরতার মধ্যে হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হিন্দুদের ভারতে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের জেল থেকে পলাতক বন্দিরা ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে।
শীতলকুচি সীমান্তে উত্তেজনা:
শুক্রবার কোচবিহারের শীতলকুচি সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের একটি বড় দল ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করে। বিএসএফ জওয়ানরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগ:
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে কমিটি গঠন করেছে, তা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই বিষয়ে কাজ করবে।