“মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহারে ওয়েনাড়ে ধ্বংসস্তূপের অতি গভীরে তল্লাশি সম্ভব নয়”- বললেন ইসরো প্রধান

কেরলের ওয়েনাড়ে ভয়াবহ ভূমিধসের পর, উদ্ধারকার্য চলছে জোরকদমে। ড্রোন, র্যাডারসহ নানা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজ চলছে। তবে ইসরো প্রধান এস. সোমনাথ জানিয়েছেন, মহাকাশ প্রযুক্তিরও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
গভীরে তল্লাশির চ্যালেঞ্জ:
সোমনাথ জানিয়েছেন, মহাকাশ থেকে পাঠানো সিগন্যাল মাটির একটি নির্দিষ্ট গভীরতা পর্যন্তই প্রবেশ করতে পারে। এর চেয়ে গভীরে যদি কেউ আটকে থাকে, তাহলে তাদের খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ নদী বা খনিজ পদার্থ খোঁজার মতো কাজে এই প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
সময়ের সাথে ক্ষীণ হচ্ছে আশা:
দিন যত যাচ্ছে, বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজে পাওয়ার আশা তত ক্ষীণ হচ্ছে। যদিও উদ্ধারকার্য চলছে, কিন্তু ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়ের কারণে এটি খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ।
পৃথিবীর মাটিতেই উদ্ধারকার্যের মূল কাজ:
মহাকাশ প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক না কেন, উদ্ধারকার্যের মূল কাজ পৃথিবীর মাটিতেই হয়। কুকুর, বিশেষ ধরনের যন্ত্রপাতি এবং মানুষের প্রচেষ্টাই হলো বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজে পাওয়ার মূল উপায়।