সরকারি হোমে ২০ দিনের মধ্যে ১৪ আবাসিকের মৃত্যু- কারণ জানালেন হোমের কর্মী

দিল্লির ‘আশা কিরণ’ হোমে ২০ দিনের মধ্যে ১৪ জন আবাসিকের মৃত্যু হওয়ার ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই এই হোমটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে এই তথ্য উঠে আসার পর থেকেই এই হোমের পরিচালনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠছে।

কর্মীর অভিযোগ:

এবার এই হোমের একজন কর্মী মুখ খুলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, এই হোমের বেশিরভাগ আবাসিকই বিশেষভাবে সক্ষম এবং তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত। কিন্তু তাদের যথাযথ চিকিৎসা এবং যত্ন দেওয়া হচ্ছে না।

কর্মীর আরও অভিযোগ, আগে আবাসিকদের সুষম খাবার দেওয়া হলেও এখন খাবারের পরিমাণ এবং মান উভয়ই খুব কমে গেছে। ফলে আবাসিকদের শারীরিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে।

হোমের ভিতরের চিত্র:

কর্মীর কথা অনুযায়ী, হোমের ভিতরের অবস্থা খুবই খারাপ। অর্ধেকের বেশি আবাসিকের পরার মতো পর্যাপ্ত কাপড় নেই। খাবারের পরিমাণও খুবই কম।

খাবারের মান:

আগে আবাসিকদের ভাত, ডাল, রুটি, সবজি, ফল, দুধ, ডিম দেওয়া হলেও এখন প্রাপ্তবয়স্ক আবাসিকদের আর সেসব দেওয়া হয় না। যখন কোনও আবাসিক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় তখনই খাবারের মান কিছুটা বাড়ানো হয়। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর আবার আগের মতো খাবার দেওয়া হতে থাকে।

চিন্তার বিষয়:

এই হোমে এতগুলি আবাসিকের মৃত্যু এবং কর্মীর অভিযোগ মিলে মিলে এই হোমের পরিচালনার বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। এটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে আবাসিকদের যথাযথ যত্ন নেওয়া হচ্ছে না।

আরও তদন্তের প্রয়োজন:

এই ঘটনার পর সরকারকে এই হোমের পরিচালনার বিষয়ে আরও গভীরভাবে তদন্ত করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।