ভারত 2031 সালের মধ্যে…..? RBI ডেপুটি গভর্নরের মন্তব্যে শোরগোল দেশজুড়ে

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (আরবিআই) ডেপুটি গভর্নর মাইকেল ডি পাত্র সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, ভারত 2031 সালের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠতে পারে এবং 2060 সালের মধ্যে এমনকি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিও হতে পারে।
এই দাবির পেছনে তিনি যে যুক্তিগুলি দিয়েছেন:
ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি: দেশটির একটি বৃহৎ এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণী রয়েছে, যা খরচ করার ক্ষমতা রাখে।
অনুকূল জনসংখ্যা: ভারতের জনসংখ্যা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ, যার অর্থ হল শ্রমিকদের একটি বড় এবং ক্রমবর্ধমান পুল রয়েছে।
স্টার্টআপ বুম: ভারতে স্টার্টআপ শুরু করার জন্য একটি সমৃদ্ধ পরিবেশ রয়েছে, যা নতুন উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তৈরি করছে।
তবে, কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে যা মোকাবেলা করতে হবে:
উৎপাদন এবং পরিকাঠামো উন্নত করা: ভারতের উৎপাদন খাত এবং পরিকাঠামো আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে যাতে অর্থনীতি তার সম্পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে।
আয়ের বৈষম্য কমানো: ভারতে আয়ের বৈষম্য একটি বড় সমস্যা, যা মোকাবেলা না করলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নত করা: ভারতের শ্রমশক্তির দক্ষতা উন্নত করার জন্য আরও বেশি শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করতে পারলে, ভারত তার অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করতে এবং বিশ্বের একটি অগ্রণী অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে ভারতের युवा জনসংখ্যা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মনে রাখবেন যে, এটি একটি ভবিষ্যদ্বাণী এবং ভবিষ্যতে কি হবে তা নিশ্চিতভাবে বলা অসম্ভব। তবে, ভারতের অর্থনীতির জন্য সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল।