বিশেষ: অবসাদ ও একাকিত্বে ডুবে নতুন প্রজন্ম! ভারতই সবথেকে বেশি জীবন বিমুখ, বলছে গবেষণা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ আত্মহত্যার হারের মধ্যে একটি। ২০২১ সালে, প্রতিদিন গড়ে ১১৫ জন শ্রমিক আত্মহত্যা করেছেন, যা ২০১৯ সালের তুলনায় বারো হাজার বেশি।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভারতে আত্মহত্যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, বিশেষ করে বিষণ্ণতা। জিনগত কারণ, দীর্ঘস্থায়ী চাপ, আর্থিক সমস্যা, পারিবারিক অশান্তি, একাকীত্ব, বৈষম্য, বেদনা, প্রেমে ব্যর্থতা, ব্যক্তিগত ক্ষতি, এবং শারীরিক অসুস্থতা এই সমস্যার কারণ হতে পারে।

সামাজিক কলঙ্ক: মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে সমাজে ব্যাপক কলঙ্ক বিদ্যমান। এই কলঙ্কের ভয়ে অনেকেই সাহায্য চাইতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়, যার ফলে তাদের সমস্যা আরও জটিল হয়ে ওঠে।

সচেতনতার অভাব: মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। অনেক মানুষই জানেন না যে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন।

পরিবার ও সমাজের অসহযোগিতা: অনেক পরিবার মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করে এবং তাদের সাহায্য করতে অস্বীকার করে।

সহায়তার অভাব: ভারতে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারদের সংখ্যা অত্যন্ত কম। গ্রামাঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রায়

সমাধান:

মানসিক স্বাস্থ্য সেবা উন্নত করা: সরকারের উচিত মানসিক স্বাস্থ্য সেবা উন্নত করার জন্য আরও বেশি বিনিয়োগ করা। গ্রামাঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করা উচিত এবং মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত।

সচেতনতা বৃদ্ধি: মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালানো উচিত। স্কুল ও কলেজে মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

সামাজিক কলঙ্ক দূর করা: মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করা উচিত। এই সমস্যা নিয়ে সমাজে বিদ্যমান কলঙ্ক দূর করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালানো উচিত।