OMG! বৃষ্টিতে উত্তরাখণ্ডে এবার হুড়মুড়িয়ে ভাঙল সেতু, জলের তোড়ে ভেসে গেলেন ২ পর্যটক

প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড। প্রচণ্ড পরিমাণ বৃষ্টির কারণে রাজ্যের নদীগুলি সবই বইছে বিপদসীমার উপরে। ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।
শুক্রবার হিমবাহের ধাক্কায় ভেঙে পড়ে গঙ্গোত্রী-গোমুখ ট্রেকের চিদওয়াসার কাছের একটি অস্থায়ী সেতু। হঠাৎ ভেঙে পড়া সেতুটির ফলে বেশ কিছু তীর্থযাত্রী আটকে পড়েন। খরস্রোতা নদীর বিপরীত দিকে আটকে পড়ে দুই পর্যটক ভেসে যান। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আচমকাই নদীর জল সেতুর উপর দিয়ে বইতে শুরু করে। তারপর সেটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তেই জলের তোড়ে ভেসে যান দুজন পর্যটক।
গঙ্গোত্রী থানায় খবর দেওয়া হয়। প্রায় আট কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ টিম। নিরাপদেই প্রায় ৪০ জন তীর্থযাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
এসডিআরএফের কমান্ড্যান্ট মণিকান্ত মিশ্র জানিয়েছেন, শুক্রবার চিদওয়াসার কাছে সেতু ভাঙার খবর পাওয়ার পরেই একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ভোর থেকেই শুরু হয়ে যায় উদ্ধার কাজ।
শুক্রবার সকালে ২৭ জন কানওয়ার যাত্রী, হিমালয়ান জিওলজির ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউটের পাঁচজন মহিলা কর্মী এবং আটজন স্থানীয় বাসিন্দা সহ মোট 40 জন আটকে পড়া তীর্থযাত্রীকে টানা ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা তীর্থযাত্রীদের নিরাপদে উত্তর কাশীতে নিয়ে আসা হয়েছে।
এসডিআরএফের তরফে সতর্ক করা হয়েছে যে, একটানা বৃষ্টির ফলে নদীগুলি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। নীচু অঞ্চলগুলি যেকোনো সময় ফুলে ফেঁপে ওঠা নদীর জলে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকারী দলকেও সব জায়গায় পৌঁছাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।
গত কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টিতে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছে উত্তরাখণ্ডে। ইতিমধ্যেই অলকানন্দা, ভাগীরথী, সারদা, মন্দাকিনী এবং কোশী নদীর জল অনেকটা বেড়ে গিয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় চাকুটিয়াতে 72 মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে।