হাথরসে পৌঁছলেন রাহুল গান্ধী, বিরোধী দলনেতাকে কাছে পেয়ে ডুকরে কাঁদলেন স্বজনহারারা

লোকসভার বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী, সৎসঙ্গে পদদলিত হয়ে 121 জনের মৃত্যুর পরে শুক্রবার সকালে নয়াদিল্লি থেকে উত্তর প্রদেশের হাথোরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে আলীগড়ের পিলখানা গ্রামে তার কাফেলা থামে। এই গ্রামেও বহু মানুষের পরিবার পিষ্ট হয়েছে। তাঁর সঙ্গে দেখা করেন রাহুল গান্ধী। আহতদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাকে।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথোপকথনে আলিগড়ের এক নিহতের ছেলে বলেন, ‘আমি ফোনে খবর পাই হাথরসে কিছু একটা হয়েছে। আমাদের এক প্রতিবেশীর ছেলে মারা গিয়েছেন। আমার মাকেও না কি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সৎসঙ্গে ভোলে বাবা জানিয়েছিলেন, কারও কোনও সমস্যা থাকলে তিনি চলে যাওয়ার পর সেই স্থানের ধুলো যেন কুড়িয়ে নেওয়া হয়। এরপরই ধুলো কুড়োতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। আমার মা বৃদ্ধ। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হন তিনি। সকলেই তাঁর শরীর পাড়িয়ে চলে যায়। গুরুতর চোট এবং শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয় মায়ের। এর জন্য দায়ী একমাত্র ভোলে বাবা। এতগুলো মানুষের প্রাণ সংশয় থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের সাহায্য নেওয়া হয়নি কেন?’

রাহুল গান্ধী বলেন, ‘অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বহু মানুষ স্বজনহারা। আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। প্রশাসনিক গাফিলতি ছিল। এই পরিবারগুলির আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। ফলে তাদের আরও বেশি আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন। মন খুলে আর্থিক সাহায্যের জন্য উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিবারের সকলেই জানাচ্ছেন, সঠিক পুলিশি ব্যবস্থা ছিল না ঘটনাস্থলে।’