২১ জুলাই: ছুটি বাংলার একাধিক স্কুলে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!

কলকাতায় এবারেও ২১ শে জুলাইয়ের সভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রত্যেক বারের মতো এই সভায় দেখা যাবে মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে, থাকবে দলের অন্যান্য সদস্যরা। ২১ শে জুলাই এই সভা উপলক্ষে পূর্ণ দিবস ছুটি ঘোষণা করলো কলকাতার অনেক স্কুল। covid-19 এর আবহে ভিড়, যানজট থেকে পড়ুয়াদের বাঁচতে মর্ডান হাই, ক্যালকাটা গার্লস, লা মার্টিনিয়ারের মতো নামকরা স্কুলগুলি ছুটি ঘোষণা করেছে।

স্কুল গুলিতে ক্লাস ও পরীক্ষা অনলাইন হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষরা। এখনো অনেক স্কুলই নিজেদের মত জানায়নি। কিন্তু ধর্মতলা, শিয়ালদা, এবং পার্ক সার্কাসের একাধিক স্কুল শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে স্কুলগুলির এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৩ মে (বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়েছিল) ৩৪ বছরের বাম শাসনে ধস নামিয়ে রাজ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের পর আলাদা করে কোনও বিজয় উৎসব করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। সেদিন বেলা গড়াতেই জনাদেশ স্পষ্ট হয়ে যায়, আর এরপরই দৃশ্যত আপ্লুত মমতা জানিয়ে দেন, জয়ের উদযাপন হবে ২১ জুলাই শহিদ তর্পণের দিন। তবে এই ২১ জুলাইয়ের ইতিহাসের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সে অর্থ কোনও সম্পর্ক নেই। বা বলা ভাল, তৃণমূলের জন্মের আগেই ঘটে গিয়েছে ‘একুশে জুলাই’। বরং বলা যেতে পারে, একুশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক কী ঘটেছিল ২১ জুলাই? কেন এই দিনটিকে তৃণমূল ও কংগ্রেস ‘শহিদ দিবস’ হিসাবে পালন করে?

একুশের মঞ্চই সাক্ষী থেকেছে তৃণমূলে ১৯৯৩ সালের পর থেকে প্রতিবছর এই দিন শহিদ দিসব হিসেবেই পালন করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবছর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দলের আগামী দিনের লক্ষ্যপূরণের বার্তা দিয়ে থাকেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে এই দিনটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবই দেখে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *