জেসিবি ঘনিষ্ঠ গির আলমের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি ভাইরাল, ছবি ঘিরে শোরগোল বাংলায়

উত্তর দিনাজপুরের এক দম্পতিকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর, তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবি নামটি সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করে। এবার জেসিবি-র ঘনিষ্ঠ বন্ধু গির আলম চর্চায় এসেছেন।

গির আলমের দুই হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ধরে থাকা ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এই ছবি ঘিরে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় কংগ্রেস নেতা মসিরুদ্দিন এই ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, ‘গোটা চোপড়ায় সন্ত্রাস চলছে। জেসিবি পুলিশ হেফাজতে আছে ঠিকই, তবে ওর লোকজন এবং এক ঘনিষ্ঠ গির আলম নামে একজন এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। বিচারের নামে রীতিমত প্রহসন চলে। মারধর করে টাকা আদায় করা হয়। এলাকার জমি দখল করে টাকা চাইছে। আর সব জেনেও চুপ করে রয়েছে পুলিশ। কারণ পুলিশেরও হাত বাঁধা।’

মসিরুদ্দিনের আরও অভিযোগ, ‘ওরা যখনই জেনেছে রাজ্যপাল আসবেন, তখনই মোহনগছে গিয়ে পরিবারগুলোকে ধমকেছে, রীতিমত ভয় দেখিয়েছে। যে ভিডিয়ো দেখে গোটা দেশ তোলপাড় হয়েছে, সেই নির্যাতিতা এখন উলটো কথা বলছেন। চোপড়ায় রীতিমতো ত্রাস চলছে। ওরা দিনে দুপুরে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু হয়েছে, এখনও চলছে। পুলিশ নির্বিকার। আমরা চাই চোপড়ায় শান্তি ফিরে আসুক।’

তৃণমূলের বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন, ‘রাজ্যপালকে আমরা স্বাগতম জানিয়েছিলাম। তিনি আসলে আসল তথ্যটা জানতে পারতেন। আসলেন না কী কারণে সেটা তাঁর বিষয়।’ জেসিবির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর বিধায়ক বলেন, ‘আমার সবার সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক। আমার কাছে সবাই আসে, তাই চেনা পরিচয় হয়। আমি তো আর ওর (জেসিবি) বাড়িতে গিয়ে ধান ভাঙি না বা ও আমার বাড়িতে এসে ধান ভাঙে না। ও যা ভুল করেছে তার শাস্তি পাবে। কোনও সুপারিশ করা হয়নি, তাই আইনে যা ব্যবস্থা হওয়ার তাই হবে। ঘটনাটা দুঃখজনক।’