নয়ানজুলি বুজিয়ে তৈরী হোটেল! বরদাস্ত করবে না জানিয়ে দিলো পুরসভা

বেআইনি নির্মাণ ও জবরদখলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে নেমেছে বৈদ্যবাটি পুরসভা। দিল্লি রোডের ধারে নয়ানজুলির উপরে তৈরি হোটেলগুলি এবং জল নিকাশির জন্য সরু পাইপ বসিয়ে মাটি ফেলে নয়ানজুলি বুজিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
পরিদর্শন ও নোটিস:
শনিবার পুরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নোডাল ইঞ্জিনিয়ার ও অফিসাররা ১১ নম্বর ওয়ার্ড লাগোয়া দিল্লি রোডের পাশের সেইসব এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনে দেখা যায় সরকারি জায়গায় কোনও অনুমতি ছাড়াই একের পর এক হোটেল তৈরি হয়েছে। পুরসভার স্যানিটারি ইনস্পেক্টর কৃষ্ণেন্দু কুন্ডু জানান, বেআইনি দখলের ফলে নিকাশি বন্ধ হয়ে বৈদ্যবাটি শহরের দেড় লক্ষ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। দিল্লি রোড, জিটি রোডের পাশে এ ধরনের দখল অনেক আছে।
অভিযোগ ও স্বীকারোক্তি:
একাধিক অভিযোগ উঠেছে সরকারি জমিতে বেআইনি নির্মাণের। বর্ষার সময়ে নর্দমা পরিষ্কার করার পরও জল জমে থাকার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে নিকাশি বন্ধ করে বেআইনি নির্মাণ হয়েছে। একটি হোটেলের মালিক সঞ্জু সর্দার স্বীকার করেছেন নিয়ম না মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, “পুরসভা থেকে আধিকারিকরা এসে দেখে গিয়েছেন। পূর্ত দপ্তরের জায়গায় হোটেল করেছিলাম। এখন পুরসভা যা বলবে সেটাই করব।”
পুরসভার পদক্ষেপ:
বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পিন্টু মাহাতো বলেছেন, “আধিকারিকদের এই বিষয়গুলিকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব দিয়েছি। আমরা অনেক মৌখিক অভিযোগ পাচ্ছি। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আমরাও দেখতে পাচ্ছি এই ধরনের বেআইনি কাজ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন জবরদখল চলবে না। তাই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ:
পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বেআইনি নির্মাণ ও জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে নোটিস দেওয়া হবে। যারা নোটিস মেনে চলবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।