সাংসদের দেহ টুকরো টুকরো করেছে ছেলে! ‘পায়ে ধরে শুধরাতে বলেছিলাম’,দাবি জিহাদের বাবার

নিউ টাউনে থেকে সবুজ ট্রলি ব্যাগে করে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিখোঁজ সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহাংশ? এই প্রশ্নের উত্তরই এখন বৃহত্তর রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রকাশ্যে আসা CCTV ফুটেজ আরও জটিল করে তুলেছে এই রহস্যকে।
টুকরো করা দেহাংশগুলি কোথায় ফেলা হয়েছে? এটিই এখন তদন্তকারীদের প্রধান লক্ষ্য।
নিউ টাউনের অভিজান আবাসনের 1 মিনিট 9 সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বাম দিকের একটি ঘর থেকে ট্রলি নিয়ে বের হচ্ছেন এক অভিযুক্ত।
ঘটনায় ঠিক কী ভূমিকা পালন করেছিল কসাই জাহিদ হাওলাদার? তা জানার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পেশায় কসাই এই ব্যক্তির সাহায্যেই আনোয়ারুলের দেহ টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছিল এবং বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আইনি কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিল সে, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে এমনটাই। বাংলাদেশের সাংসদের দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে জিহাদ, সন্দেহ গোয়েন্দাদের।
জিহাদের স্ত্রী মুন্নি ওপার বাংলার সংবাদ মাধ্যম ‘সময় নিউজ’-কে বলেন, ‘আমাদের চার বছর বিয়ে হয়েছে। একটি ছোট ছেলেও রয়েছে। প্রায় দেড় বছর আগে ও একটি মামলায় জড়িয়ে পড়েছিল। এরপর গা ঢাকা দেয়। বাড়ি ছাড়ার পর ও কোথায় রয়েছে, তা জানতাম না।’
নয় মাস আগে শেষ এক থেকে দেড় মিনিট স্বামীর সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর, জানান মুন্নি। তাঁর কথায়, ‘ও কোথায় রয়েছে তা জানায়নি। তবে ছেলে ও বাবা-মায়ের খোঁজ নিয়েছিল।’
জিহাদের বাবা জয়নাল হাওলাদার বলেন, ‘ছেলে যে এক নৃশংস কোনও কাজ করতে পারে, তা কোনওদিন ভাবিনি। ওকে নিয়ে বেশ অশান্তিতে ছিলাম। একবার পা ধরে আকুতি করেছিলাম যাতে ভুল পথ ছেড়ে দেয়। কিন্তু, স্থানীয় কিছু লোকজনের কারণে ছেলেটা আমার ভুলপথে চলে গেল।’