OMG! শিশুর লিঙ্গ যাচাই করতে স্ত্রীর গর্ভে কোপ, স্বামীর যাবজ্জীবনের কারাদন্ড

২০২০ সালে শুরু হয়েছিল এই নৃশংস ঘটনার সূচনা। পাঁচ মেয়ে সন্তানের পর ষষ্ঠ সন্তানের জন্য গর্ভধারণ করেছিলেন পান্না লালের স্ত্রী অনিতা। কিন্তু এবার ছেলে সন্তান চেয়েছিলেন পান্না লাল।
গ্রামের এক জ্যোতিষীর কাছে জানতে গেলে জানা যায়, অনিতা আবারও মেয়ে সন্তানের জন্ম দেবেন। এই খবরে ক্ষোভে অস্থির হয়ে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিতে থাকেন পান্না লাল। কিন্তু অনিতা স্বামীর প্রস্তাবে রাজি হননি।
গর্ভপাতে অস্বীকার করায় রেগে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা অনিতার পেটে চাপ্পল দিয়ে আঘাত করেন পান্না লাল। রক্তাক্ত অবস্থায় অনিতাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের অধ্যাবসায়ে অনিতার প্রাণ রক্ষা করা গেলেও, গর্ভের পুত্র সন্তান মারা যায়।
এই ঘটনায় পান্না লালকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা (খুনের চেষ্টা) এবং ৩১৩ ধারা (মহিলার অনুমতি ছাড়াই গর্ভপাত) সহ বেশ কিছু মামলা দায়ের করা হয়।
চার বছর পর, ২০২০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন পান্না লাল। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক সৌরভ সাক্সেনা তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
এই ঘটনা সমাজের অন্ধকার দিক তুলে ধরে। নারীর প্রতি অত্যাচার এবং সন্তান হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর হাত আশ্বস্তিকর।