চোখে জল নিয়ে বড়মার মন্দিরের বাইরে থেকেই সারলেন প্রণাম, দিল্লি রওনা দিলেন মমতাবালা

মতুয়া সমাজের প্রথম মহিলা রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিতে দিল্লি যাওযার আগে বড়মার মন্দিরে ঢুকে প্রণামই করতে পারলেন না মমতাবালা।শান্তনু ঠাকুর তালা লাগিয়ে দখল নেওয়ায় বন্ধ মন্দিরের বাইরে থেকেই প্রণাম সেরে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিলেন তিনি।

শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বারুনির মেলা। আর রবিবারেই বড়মা-র মন্দিরের দখল নিতে ঠাকুরবাড়ির কোলাপসিবল গেট ভেঙে ঢুকেছিলেন শান্তনুরা। তারপর থেকে বহু মতুয়া ভক্ত, পাগল, গোঁসাই, দলপতিরা এসে দেখা করেছেন মমতাবালার সঙ্গে। তীব্র নিন্দা করেছেন।

মমতাবালা তাঁদের বলেন, ‘এ বার বিজেপিকে বনগাঁয় হারাতেই হবে। সেক্ষেত্রে মতুয়াদের আরও বেশি সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন। বনগাঁয় বিজেপিকে হারালেই শান্তনু ঠাকুরের ঔদ্ধত্য মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যাবে।’ জবাবে পবিত্র গোঁসাই, কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘ঠিক আছে মা। এ বারের ভোটে শান্তনুকে এর জবাব দিতেই হবে।’

তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘শান্তনু ঠাকুরের হামলার প্রভাব অবশ্যই পড়বে এ বারের ভোটে। সিএএ নিয়ে মতুয়ারা এমনিতেই সরে গিয়েছেন বিজেপির থেকে। তারপর ভোটের মুখে শান্তনুরা ঠাকুরবাড়ির দখল নিয়ে যে কাণ্ড ঘটালেন, তাতে ক্ষুব্ধ মতুয়া ভোটাররা নিশ্চিত ভাবেই ভোটবাক্সে তার জবাব দেবেন।’

শান্তনু ঠাকুর বলেছেন, ‘ভোটে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। বড়মা-র মন্দির মতুয়া ভক্তদের। মমতাবালা ঠাকুর এতদিন কেন দখল নিয়ে রেখেছেন বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন মতুয়ারাই। ওঁর জন্য মতুয়ারা বড়মা-র মন্দির দর্শন করতে পারেন না। তাঁরাই বড়মা-র মন্দিরকে হেরিটেজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভক্তরাই তালা ভেঙেছেন।’