১২ বছরের কন্যাকে ধূমধাম করে বিয়ে ৬৩-র পুরোহিতের! ‘কাম’ বৃদ্ধিতে বিশেষ সুগন্ধি প্রয়োগ

দক্ষিণ আফ্রিকার ঘানায় ৬৩ বছরের এক উচ্চবর্ণের পুরোহিতের ১২ বছরের এক নাবালিকার বিয়ের খবর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উস্কে দিয়েছে।
নুমো বোরকেতে লয়েহ সুরু XXXIII, একজন ৬৩ বছরের পুরোহিত, ১২ বছরের এক নাবালিকাকে বিয়ে করেন।অভিযোগ, নাবালিকাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় এবং বিয়ের জন্য সাজিয়ে-গুজিয়ে নুমোর সামনে উপস্থাপন করা হয়।নাবালিকাকে যৌন আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য সুগন্ধি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।বিয়ের সময় সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

সমালোচনা:
নেটিজেনরা এই বিয়েকে নিন্দা করেছেন এবং বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।ওই পুরোহিতের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে।ঘানার আইন অনুযায়ী, বিয়ের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর।

প্রতিবাদীদের যুক্তি:
নুনগুয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এই বিয়ের সমর্থনে যুক্তি দিয়েছেন।তাদের দাবি, ‘মানুষ আসলে আমাদের প্রথা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানে না।’

ঘানায় বাল্যবিবাহ:
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘানায় বাল্যবিবাহের হার কমলেও এখনও সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব হয়নি।এনজিও গার্লস নট ব্রাইডস অনুসারে, ১৯% মেয়ে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে করে এবং ৫% মেয়ে ১৫ বছরের আগে বিয়ে করে।

সরকারের প্রতিক্রিয়া:
এই বিতর্কিত বিয়ের বিষয়ে এখনও সরকারি তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনা আবারও সমাজের অন্ধকারাচ্ছন্ন মনোভাব এবং বাল্যবিবাহের মতো কুপ্রথার অস্তিত্বের প্রমাণ। সমাজের সচেতন মানুষ এবং সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই ধরনের কুপ্রথা দূর করা সম্ভব।