OMG! জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে হেঁটে হোলি পালন! ভারতের কোথায় রয়েছে এমন রীতি? দেখেনিন ভাইরাল ভিডিও

হোলির উৎসব দেশজুড়ে রীতিমতো উৎসবের মরশুম তৈরি করেছে। তারকা থেকে রাজনীতিক, সকলেই এই রঙের উৎসবে মেতে উঠেছেন। বহু প্রাচীনকাল থেকে ভারতের বুকে এই রং খেলার রীতি চলে আসছে। বাংলায় ‘দোল’ নামে পরিচিত এই উৎসব ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন নামে ও ভিন্ন রীতিনীতিতে পালিত হয়। লাঠমার হোলি, মশান হোলি, ফাগুয়া থেকে শিমগা – প্রতিটির নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে।
গুজরাটের খেদাতের জ্বলন্ত হোলি:
প্রতি বছরের মতো এবারও গুজরাটের খেদাতে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালিত হচ্ছে হোলি। দেশ-বিদেশের মানুষ এখানকার হোলি উদযাপনের সাক্ষী থাকতে ভিড় জমান। আশ্চর্যের বিষয়, ভারতের বুকেই রয়েছে এমন এক জায়গা যেখানকার বাসিন্দারা প্রতি বছর জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে হেঁটে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে হোলি উদযাপন করে। খেদার পালানা গ্রামে, জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে হেঁটে ‘হোলিকা দহন’ উদযাপনে মাতে মানুষ।
#WATCH खेड़ा, गुजरात: पलाना गांव में ग्रामीणों ने पारंपरिक तरीके से जलते अंगारों पर चलकर 'होलिका दहन' मनाया। pic.twitter.com/uDLFnQPoGa
— ANI_HindiNews (@AHindinews) March 25, 2024
লাঠমার হোলির রীতিনীতি:
‘লাঠমার’ কথার অর্থ ‘লাঠি দিয়ে মার’। কৃষ্ণ রাধার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তখনই একসঙ্গে এগিয়ে আসছেন গোপিনীরা। সবাই মিলে কৃষ্ণকে তাড়া করেন। হাতে লাঠি থাকায় মুখেও তাদের ছিল সেই একই বুলি। তাই এই বিশেষ ভাবনায় কৃষ্ণ ও রাধার হোলি খেলা উদযাপিত হয় উত্তর প্রদেশের মথুরার নিকটবর্তী নন্দগ্রাম ও বর্ষণা গ্রামে। প্রসঙ্গত, মনে করা হয়, এখানেই ভারতে প্রথম হোলি খেলা শুরু হয়েছিল। হোলির আনুষ্ঠানিক তারিখ যাই হোক না কেন, বর্ষণায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় হোলি খেলা। হোলির থিম – লাঠমার!
ব্রজভূমির ৪০ দিনের হোলি উৎসব:
রাধাকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র বলে পরিচিত উত্তর ভারতের ব্রজভূম বা মথুরা-বৃন্দাবনে প্রায় ৪০ দিন ধরে চলে হোলি উৎসব। বসন্ত পঞ্চমী থেকে শুরু হয় উদ্যাপন। মন্দিরের পর মন্দির রাঙা হয়ে ওঠে ফাগে আর পিচকারির রঙে।