Electoral Bond: কোটি কোটি টাকা এসেছে পোস্টে, ড্রপ বক্সে, বেনামে…, ‘তথ্য’ লুকোতে গুচ্ছের যুক্তি

ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো যে বিপুল অর্থ পায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া নির্বাচন কমিশনে তথ্য জমা করার পর দাতা-সংস্থার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।কিন্তু কোন দাতার কত টাকা কোন দল পেয়েছে, তা এখনও অজানা।

দলগুলির অবস্থান:
বিজেপি দাতার নাম গোপন রাখার পক্ষে। তাদের দাবি, আইনেই দাতার নাম প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নেই।

কংগ্রেস স্টেট ব্যাঙ্কের কাছে দাতার বিশদ তথ্য চেয়েছে।

তৃণমূল দাবি করেছে, দলীয় কার্যালয়ে ড্রপ বক্সে জমা পড়েছিল বন্ড।

সমাজবাদী পার্টি এক ও দশ লাখি বন্ডে প্রাপ্ত দানের বিশদ তথ্য প্রকাশ করলেও কোটির অঙ্কে সংখ্যা বলেই দায় সেরেছে।

চন্দ্রবাবু নাইডুর দল তেলুগু দেশম জানিয়েছে, বিশদ তথ্য হাতে নেই।

শরদ পাওয়ারের এনসিপির দাবি, দানের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।

আরজেডি দেড় কোটির দান পেলেও দাতার তথ্য নেই।

নীতীশ কুমারের দল জেডিইউয়ের দাবি, ২০১৯-এ ১০ কোটি টাকার ইলেক্টোরাল বন্ড কেউ এক জন খামে ভরে অফিসে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

তামিলনাড়ুতে ক্ষমতাসীন ডিএমকে’র প্রাপ্তির ৭৭ শতাংশই এসেছে লটারি কিং সান্তিয়াগো মার্টিনের ফিউচার গেমিং কোম্পানি থেকে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:

দাতাদের গোপনীয়তা বনাম নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।বড় অঙ্কের অজ্ঞাত দানের উৎস ও উদ্দেশ্য।রাজনৈতিক দলগুলোর তহবিল সংগ্রহের পদ্ধতির নিয়ন্ত্রণ।

উল্লেখ্য, ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে দানের ব্যবস্থা ২০১৭ সালে চালু করা হয়েছিল।এই ব্যবস্থার সমালোচকরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক দলগুলোকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ করে দিচ্ছে।নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য দাতাদের নাম প্রকাশ করা উচিত বলে দাবি জানাচ্ছেন তারা।