SPORTS: সামনে নতুন লড়াই, আইপিএলের আগে জানালেন হার্দিক পান্ডিয়া

বিশ্বকাপের মাঝখানে গোড়ালির চোটের কারণে হার্দিক পান্ডিয়াকে ছিটকে যেতে হয়েছিল। তীব্র চেষ্টা করেও তিনি আর টুর্নামেন্টে ফিরে আসতে পারেননি।

চোটের তীব্রতা:

আইপিএল শুরু হওয়ার আগে একটি সাক্ষাৎকারে হার্দিক তার চোটের তীব্রতা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, “তিনবার গোড়ালিতে ইনজেকশন নিয়েছিলাম। পা ফুলে গিয়েছিল। এমনকি রক্ত বার করতে হয়েছিল চিকিৎসকদের। তবুও মাঠে ফিরতে লেগেপড়ে ছিলাম।”

হতাশার অনুভূতি:

বিশ্বকাপে হার্দিকের চোট নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছিল। শোনা যাচ্ছিল তিনি ফিরে আসতে পারেন, কিন্তু বাংলাদেশের বিপরীত ম্যাচের পর আর তাকে খেলতে দেখা যায়নি। এই ঘটনা নিয়ে হার্দিকের মনে দীর্ঘ অনুশোচনা রয়েছে।

চোটের ঝুঁকি:

হার্দিক বলেন, “আমি জানতাম, যদি তাড়াহুড়ো করে মাঠে ফিরি, তাহলে চোট আরো মারাত্মক হতে পারে। সেই সময় আমি ঠিকমতো হাঁটতেও পারছিলাম না। তবুও দৌড়ানোর চেষ্টা করেছি। শেষ পর্যন্ত তিন মাস মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছে।”

দ্রুত ফিরে আসার আত্মবিশ্বাস:

হার্দিক জানান, যেদিন তিনি চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন, সেদিন থেকেই দ্রুত ফিরে আসার আত্মবিশ্বাস ছিল তার মনে। তিনি বলেন, “আমি সেই সময় দলের সতীর্থদের বলেছিলাম, পাঁচ দিনের মধ্যে মাঠে ফিরব। দশ দিন ধরে ফিরে আসার চেষ্টা করেছিলাম। পেনকিলার নিয়েছিলাম। কিন্তু লাভ হয়নি বিশেষ। অদ্ভুত একটা চোট পেয়ে যাই। যার কথা লোকে জানতো না।”

বারবার চোটের কারণে সমালোচনা:

চোটের কারণে এর আগেও বহুবার ভারতীয় দল থেকে ছিটকে গেছেন হার্দিক। বারবার চোট বিপর্যস্ত হওয়ার কারণে তার খেলা নিয়ে সারা দেশ জুড়ে প্রশ্ন উঠে যায়। সমালোচনার শিকার হন এই অলরাউন্ডার।

দেশের হয়ে খেলার গর্ব:

কিন্তু এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে হার্দিক সরাসরি বলেন, “দেশের হয়ে খেলাই আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্মান। আমার কাছে সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয় এটিই। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলাটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো। এই প্রতিযোগিতায় পুরো খেলতে না পারার যন্ত্রণা আমাকে সর্বক্ষণ বিদ্ধ করে যাবে।”