উচ্চমাধ্যমিকে বড় পরিবর্তন! যুক্ত হচ্ছে নতুন সিলেবাস, প্রজেক্ট, ইন্টার্নশিপ, সিমেস্টার পদ্ধতি

সর্বভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন সিলেবাস (HS New Syllabus) তৈরি করা হয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এই নতুন সিলেবাস ঘোষণা করেছেন।
নতুন সিলেবাসে কী কী থাকছে?
মোট ৬২টি বিষয়।
৪৯টির সিলেবাস পরিবর্তন হচ্ছে।
১৩টি ভোকেশনাল সাবজেক্টের সিলেবাস পরিবর্তন হয়নি।
প্রোজেক্ট ও ইন্টার্নশিপ সংযুক্ত হচ্ছে।
পড়াশোনার জন্য নির্ধারিত সময়:
প্রত্যেক বছর প্রতিটি বিষয়ের জন্য স্কুলে ২০০ ঘণ্টা নির্ধারিত থাকবে।
প্রথম সিমেস্টারের জন্য ১০০ ঘণ্টা পড়াশোনা।
দ্বিতীয় সিমেস্টারের জন্য ৮০ ঘণ্টা।
আর ২০ ঘণ্টা ‘রেমিডিয়াল ক্লাসে’ অথবা হোম ‘অ্যাসাইমেন্টের’ জন্য।
এর মধ্যেই থাকবে প্রোজেক্ট ও ইন্টার্নসিপও।
সিমেস্টার সিস্টেম:
নতুন শিক্ষানীতিতে সিমেস্টার সিস্টেম হচ্ছে।
একাদশ, দ্বাদশে সিমেস্টার সিস্টেম ইমপ্লিমেন্ট হচ্ছে।
২০২৫-২৬ এ উচ্চমাধ্যমিক সিমেস্টার পদ্ধতিতে।
প্রত্যেক স্কুলকে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সামার ক্যাম্প করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষা:
একাদশ শ্রেণিতে যে দুটি পরীক্ষা হবে, তা গণ্য হবে প্রথম ও দ্বিতীয় সিমেস্টার হিসাবে।
দ্বাদশ শ্রেণিতে যে দুটি পরীক্ষা হবে, তা গণ্য হবে তৃতীয় ও চতুর্থ সিমেস্টার হিসাবে।
৭০ নম্বর লিখিত, ৩০ নম্বর প্র্যাকটিক্যাল থাকবে।
প্রত্যেক সিমেস্টারের জন্য বরাদ্দ ৩৫ নম্বর।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষার শেষে হবে।
প্র্যাকটিক্যাল না থাকলে ৮০ নম্বর লিখিত পরীক্ষা হবে।
২০ নম্বর প্র্যাকটিক্যাল।
৭০-এ পরীক্ষা হলে ২১ পেলে পাশ বলে বিবেচিত হবে।
৮০ নম্বরের মধ্যে ২৪ পেলে পাশ বলে গণ্য করা হবে।
একাদশের পরীক্ষা:
একাদশের পরীক্ষার দায়িত্ব স্কুলের।
রুটিন করবে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।
প্রথম সিমেস্টার হবে ওএমআর (OMR) শিটে।
একই অ্যাডমিট কার্ডে দ্বাদশ শ্রেণির থার্ড ও ফোর্থ সিমেস্টার হবে।
উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম সিমেস্টারে শূন্য পেলেও পরের সিমেস্ট