‘ক্যায়া হ্যায় ইয়ে CAA!-পহলে মেরা নাজি়বকো ওয়াপস দো

সিএএ কার্যকর হওয়ার দিনে নাজিবের মায়ের বেদনার চিৎকার
নাজিব আট বছর আগে জেএনইউ থেকে রহস্যজনকভাবে লাপতা হয়ে যাওয়া ছাত্র।নাজিবের মা, যিনি আজও ছেলের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, যা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
ফতিমার প্রশ্ন: “ক্যায়া হ্যায় ইয়ে ক্যা (সিএএ)? পহলে মেরে বেটেকো ওয়াপস দো।”
সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ:
ফতিমা সিএএ-কে ‘কাগজের খেলা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।তিনি বলেন, “উচ্চবর্ণের হিন্দু ছাড়া বাকি সকলকে তাড়াতে চায় বিজেপি।”নোটবন্দি, গণপিটুনির পর এবার নাগরিকত্বের নামে ‘জুজু’ দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তার।
নাজিবের রহস্য:
২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর জেএনইউ ক্যাম্পাস থেকে লাপতা হন নাজিব।অভিযোগ, এবিভিপি-র গুন্ডারা তাকে মেরেছিল।
দিল্লি পুলিশ, সিবিআই – সকলের তদন্তেও রহস্যের সমাধান হয়নি।ফতিমা আজও ছেলের ফিরে আসার আশায় প্রতিদিন ফোন খোলা রাখেন।
সুপ্রিম কোর্টে মামলা:
নাজিবের ‘মিসিং কেস’ এখন সুপ্রিম কোর্টে।ফতিমা অভিযোগ করেন, “তারিখ-পে-তারিখ ছাড়া কিছুই হচ্ছে না।””চৌকিদারকে কতবার চৌকিদারি ইয়াদ দিলানা পড়েগা?” – প্রশ্ন তার।
ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্ন:
সংবিধান অনুযায়ী, ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া কি সম্ভব?মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে?শাহিনবাগে এই প্রশ্নগুলোই উঠেছিল ২০১৯ সালে।
ফতিমার সংগ্রাম:
‘বুল্লি বাঈ’ অ্যাপে তার নাম উঠেছিল, ‘অনলাইন মক নিলাম’-এর তালিকায়।কিন্তু ফতিমা ভেঙে পড়েননি, আজও তিনি লড়াই করে যাচ্ছেন।
ফতিমার বার্তা:
“মৃত্যুর পরে দাদা-পরদাদার কবরের পাশেই আমাকে দাফন করা হোক।””কিন্তু তার আগে সরকারকে জবাব দিতে হবে – মেরা নাজিব কাহা হ্যায়?”
এই বেদনার চিৎকার কেবল ফতিমার নয়, এটি সমস্ত মানবিক মূল্যবোধের পক্ষ থেকেই।