“যে কোনও মুহূর্তে পরমানু হামলা!”-আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিলো পুতিন

বিশ্ব এখনও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। এরই মধ্যে, রাশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন যে তারা ইউক্রেনে পারমাণবিক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন করে, তাহলে রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

ইউক্রেনে যুদ্ধ:
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে সেনা পাঠায়।রাশিয়ার আক্রমণে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ সহ অনেক শহর তছনছ হয়ে গেছে।রাশিয়া জানিয়েছিল যে তারা সেখানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে চায় না।কিন্তু যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সেনা মোতায়েন করে, তাহলে রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

পুতিনের হুঁশিয়ারি:
পুতিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন যে ইউক্রেন রাশিয়ার ভূখণ্ডের অংশ।তিনি বলেছেন যে রাশিয়া পারমাণবিক যুদ্ধের জন্য প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনে সেনা পাঠায়, তাহলে তারা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হবে।

রাশিয়ার প্রস্তুতি:
রাশিয়ার নির্বাচন সামনে রয়েছে।পুতিন জানিয়েছেন যে তিনি আরও ছয় বছর ক্ষমতায় থাকবেন।তিনি পারমাণবিক যুদ্ধের জন্য তাড়াহুড়ো করছেন না।
তিনি ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখেন না।

পুতিনের দাবি:
পশ্চিমা দেশগুলি ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য সৈন্য পাঠালে পারমাণবিক যুদ্ধের উসকানি দিতে পারে।ইউক্রেন যুদ্ধের পরে পশ্চিমা দেশগুলির সাথে রাশিয়ার সম্পর্ক সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

ইউক্রেনের প্রতিশ্রুতি:
পুতিন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়।পশ্চিমা নেতারা ইউক্রেনে রাশিয়াকে পরাজিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।কিয়েভ জানিয়েছে যে এটি তাদের জাতীয় পরিচয় মুছে ফেলার পরিকল্পনা।কিন্তু তারা যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করছে।