OMG! ট্যাঙ্কের নীচে দেহ পুঁতে ইটের গাঁথনি, ওষুধ ব্যবসায়ী খুনে চাঞ্চল্য এলাকায়

নিখোঁজ ব্যবসায়ী ভাব্য লাখানি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে কলকাতা পুলিশ। ধৃত মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ অনির্বাণ গুপ্তার স্বীকারোক্তি ও জেরার ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার রাতে নিমতা থানার এলাকায় ভাব্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

ভাব্য লাখানি ওষুধের ডিস্ট্রিবিউটর ছিলেন।অনির্বাণ গুপ্তা এক ঔষধ কোম্পানিতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করতেন।ভাব্য কিছুদিন আগে অনির্বাণের মাধ্যমে বড় আকারের ওষুধের বরাত দিয়েছিলেন।মাল না পৌঁছানোয় ভাব্য টাকা ফেরতের জন্য অনির্বাণকে চাপ দিচ্ছিলেন।গত পড়শুদিন অনির্বাণ টাকা দেওয়ার জন্য ভাব্যকে নিমতার বাড়িতে ডেকে পাঠান।তারপর থেকে ভাব্য নিখোঁজ ছিলেন।

ভাব্য নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী বালিগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করে।মঙ্গলবার রাতে অনির্বাণকে গ্রেফতার করা হয়।

অনির্বাণের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, নিমতা থানার পুলিশকে নিয়ে কলকাতা পুলিশ আজ অনির্বাণের বাসায় পৌঁছায়।জলের ট্যাঙ্কের নীচে থেকে ভাব্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

অনির্বাণ ও তার পরিবার এলাকায় কারও সাথে মিশতেন না।স্থানীয় কাউন্সিলর শুক্লা চট্টোপাধ্যায়ও অনির্বাণকে চিনতেন না।তিনি জানান, অনির্বাণ ভাড়া থাকতেন এবং ভাড়াটের পরিচয়পত্র জমা নেওয়া উচিত।

পুলিশ অনির্বাণের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করবে।তদন্ত চলছে।এই ঘটনা আবারও ভাড়াটের পরিচয় যাচাই করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছে।