“এত ভালোবাসা সবার ভাগ্যে জোটে না…”, বাংলায় ‘ভিড় ম্যানেজমেন্ট’-এ স্বয়ং মোদী

কৃষ্ণনগর বিজেপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন, কারণ আসনের সাবেক সাংসদ মহুয়া মৈত্র লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।মোদী, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী মহুয়া মৈত্রকে তীব্র আক্রমণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় উপচে পড়া ভিড়। জনসমাগমে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠল গোটা সভাস্থল। এমনকী ভিড় একটা সময় এতটাই বাড়তে থাকে যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জনতার উদ্দেশে বার্তা দিতে দেখা যায়।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘এত বড় মাত্রায় আপনারা আমাকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন, আপনাদের ধন্যবাদ। প্রথমেই আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কারণ ময়দান ছোট পড়ে গিয়েছে, সেই কারণে আপনাদের সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু আমার আবেদন ময়দানে আর একটুও জায়গা নেই, অনুগ্রহ করে আপনারা সামনের দিকে এগিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। আপনারা যেখান আছেন সেখানেই দাঁড়িয়ে যান। সামনে আর জায়গা নেই, ওখানেই দাঁড়িয়ে যান, কারণ সামনের দিকে আর আসতে পারবেন না।’

প্রধানমন্ত্রীকে ফের বলতে দেখা যায়, ‘আপনাদের আবেগ আমি মাথায় করে রাখি, আপনাদের ভালোবাসও আমি মাথায় করে রাখি। এই ভালোবাসা কখনও ভুলবো না। এমন ভালোবাসা সবার ভাগ্যে থাকে না। কিন্তু সবার কাছে অনুরোধ, বিশেষত যুবদের, সামনে জায়গা নেই, অনুগ্রহ করে আর সামনে এগোবেন না।’

তিনি বলেন, ‘ছোট জায়গার জন্য আপনাদের যে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়েছে, আমি আপনাদের সেবক, আর সেই সেবক হিসেবে আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।’

মোদী বলেন, রাজ্য সরকারের “অত্যাচার” এবং “বিশ্বাসঘাতকতা”র জন্য বাংলা “নিরাশ”।তৃণমূল “পরিবারতন্ত্র” এবং “দুর্নীতি”তে মনোযোগী, বাংলার উন্নয়নে নয়।তৃণমূল চায় বাংলার মানুষ “গরিব” থাকুক, যাতে তারা “খেলা চালিয়ে যেতে পারে”।মোদী রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ, রেশন, এবং গরু পাচার কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন।