OMG! ফোনে প্রেমিকার সঙ্গে কথা, তারপরই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রাজেশ রায়ের (১৯) ঝুলন্ত দেহ মঙ্গলবার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে তার গাঢ়খুটা এলাকার বাড়ি থেকে। রাজেশ খুট্টিমারি হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন এবং বুধবার রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষা ছিল তার।
ঘটনার বিবরণ:
রাজেশ মঙ্গলবার রাতে প্রতিবেশীর বিয়েতে গিয়েছিলেন।রাতে ফিরে নিজের ঘরে যান এবং দীর্ঘক্ষণ একজন মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলেন।সকালে রাজেশের ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।পরিবার তাকে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
প্রেমঘটিত কারণের আশঙ্কা:
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজেশের মৃত্যুর পেছনে প্রেমঘটিত কারণ থাকতে পারে।রাজেশ যে মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলছিলেন তার সাথে সম্পর্কের জটিলতা এই ঘটনার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।মৃতের পরিবার রাতে রাজেশ ও মেয়েটির মধ্যে কথোপকথনের বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখছে।
খুট্টিমারি হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বিষ্ণুপদ রায় বলেন, ‘রাজেশ ভালো ছাত্রই ছিল। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ভালো ফলই করত বলে আমাদের আশা ছিল, কিন্তু এমন ঘটনা ঘটবে তা কেউই ভাবতে পারে নি।’
মৃতের আরও এক আত্মীয় জয়দেব রায় বলেন, ‘ঘটনার পেছনে মেয়ে সম্পর্কিত কোনও যোগ রয়েছে। তবে রাতে মেয়েটির সঙ্গে কি কথা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পরিবারের লোকেরা।’
পুলিশের ভূমিকা:
এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করবে।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট জানা যাবে।
স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
খুট্টিমারি হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বিষ্ণুপদ রায় বলেছেন, রাজেশ ভালো ছাত্র ছিল এবং তার ভালো ফল করার আশা ছিল।এই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ स्तब्ध ও দুঃখিত।উল্লেখ্য, এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।