“চাকরি না হলে আত্মহত্যার হুমকি, এটা আন্দোলনের পথ নয়”: ব্রাত্য বসু

কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে এসএসসি যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চের প্রতিনিধিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, সাতদিনের মধ্যে তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি না বেরলে অষ্টম দিন থেকে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন।
২০১৬ সালের এসএলএসটির নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির চাকরিপ্রার্থীরা এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, “আমরা প্রত্যেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছি। তারপর থেকে এখনও চাকরি পাইনি। ১১০০ দিন ধরে ময়দানে ও রাস্তায় লাগাতার আন্দোলন করছি। ভোট এলেই শাসক দলের তরফে সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি আসছে। ভোট মিটলে সেই একই অবস্থা। তাই এই জীবন আমরা রাখব না।”
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এই হুঁশিয়ারির প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এটা আন্দোলনের কোনও পন্থা হতে পারে না। রাজ্য সরকার দেড় বছর ধরে তাঁদের কথা শুনে এসেছে। আমাদের আশা, আদালতের অনুমতিতে এই জট ছাড়ার মুখে। এই সমস্যা সমাধানে সরকারের সদিচ্ছা আছে। সহানুভূতির সঙ্গে সমাধানের পথ বিবেচনা করছি। আন্দোলনকারীরা সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করুন। তারপরেও তাঁরা কী করবেন, তাঁদের ব্যাপার।”
অন্যদিকে, আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের মঞ্চের তরফে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল হয়। তাদের দাবি, প্রথম দফায় কাউন্সেলিং হওয়া প্রার্থীদের অবিলম্বে জয়েনিং এবং অন্যদের ধারাবাহিক কাউন্সেলিং ও জয়েনিং।
কলকাতা হাইকোর্টে এই বিষয়ে আগামিকাল শুনানি রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই চাকরি দেবে।