‘বাংলাদেশের সিনেমা নিস্তব্ধ বিপ্লব ঘটাচ্ছে’, মন্তব্য পরমব্রতর

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সিনেমা দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মূলধারার সিনেমা ছাড়াও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত সিরিজগুলোও পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য বাঙালি জনবহুল এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এই প্রবণতাকে ‘নিস্তব্ধ বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন অভিনেতা ও পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। অর্থনৈতিকভাবে না হলেও, বাংলাদেশের সিনেমা দুই বাংলার মানুষকে আলোড়িত করছে, যা পরমব্রতের কাছে আনন্দের বিষয়।

বাংলা সিনেমার আন্তর্জাতিক বাজার ধরার ক্ষেত্রে পরমব্রত বাংলাদেশের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তিনি বলেন, “এই বাজার ধরার ক্ষেত্রে পথ দেখাচ্ছে বাংলাদেশের কনটেন্টই।”

সময় উপযোগী কনটেন্টের গুরুত্ব

পরমব্রত শুধু অভিনেতাই নন, একজন পরিচালকও বটে। সম্প্রতি তিনি ঢাকার পটভূমিতে নির্মিত “শেয়াল দেবতা রহস্য” সিনেমায় ফেলুদার চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

ঢাকা সফরের সময় তিনি প্রথম আলোকে বলেন, “গত তিন-চার বছরে বাংলাদেশে সিনেমা এবং গানের কাজের ধরন ও মানে বড় রকমের পরিবর্তন ঘটেছে। ওটিটি, চলচ্চিত্র ও গানে ভালো কাজ হচ্ছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নিস্তব্ধ বিপ্লব কিছুটা হলেও ঘটেছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশে আরও অনেক বেশি সময় উপযোগী ও মানুষ উপযোগী কনটেন্ট নিয়ে সিনেমার কাজ করা হচ্ছে।”

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩০ কোটি বাঙালি বাস করেন। পরমব্রত মনে করেন, এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য বাজার ধরা সম্ভব।

তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, বিশ্বজুড়ে বাঙালির বাজার ধরার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কনটেন্টই পথ দেখাচ্ছে ও দেখাবে। পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় কিছু গুণ আছে। সেটা অন্য ক্ষেত্রে সমাদৃত হবে। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে দেখতে গেলে নিউইয়র্ক কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে বাণিজ্যিকভাবে সিনেমার মুক্তি দিতে হবে। সেটা করতে হবে বাংলাদেশের সিনেমা দিয়ে।”

পরমব্রত মনে করেন, এই ক্ষেত্রে স্টারডমের চেয়ে ভালো কনটেন্টের উপর জোর দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, “যেসমস্ত সিনেমা সম্প্রতি আলোড়ন ফেলেছে, সেগুলির পরিচালক খুব নামী তেমনটা নয়।