সন্দেশখালিতে তীব্র উত্তেজনা, গ্রেফতার BJP সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভ করছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুলিশ তাকে আটক করে লঞ্চে ধামাধামি করে নিয়ে যায়। পরে তাকে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তির পর সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জামিনে মুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু, আমি এখান থেকে কোথাও যাব না। আমার দলের কর্মীরা যতক্ষণ না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি কলকাতায় যাব না।”
এরপর তিনি গ্রেফতার বিজেপি নেতা বিকাশ সিংয়ের বাড়িতে যান। তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে এই বলে সুকান্ত মজুমদারকে সেখান থেকে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু, নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন তিনি। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয় স্থানীয়দের একাংশের।
কিছুদিন আগে সন্দেশখালিতে বিক্ষোভ দেখাতে দিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন সুকান্ত মজুমদার। পুলিশের গাড়ির বনেটে উঠে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।
সন্দেশখালির ঘটনার পর প্রায় দেড় মাস কেটে গেলেও এখনও অধরা শেখ শাহজাহান।
এদিকে বিরোধীরা এই নিয়ে সুর চড়াতে শুরু করেছে। উত্তম সর্দারকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। কিন্তু, শিবু সর্দার এবং শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এই নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।
ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি ঘুরে দেখে বলেন, “যারা আইন ভেঙেছে তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না।”