আবারো বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, চিন্তা বেড়েছে সাধারণ মানুষের

মুদ্রাস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধির মাঝে নতুন করে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব সাধারণ মানুষের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডাল, সব্জি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। রমজানের আগে বাজারে আরও চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী মাস থেকে বিদ্যুতের দাম ৫% বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ৮ টাকা ২৫ পয়সা। ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ১২ বার।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি। আইএমএফের ঋণের শর্ত অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে ভর্তুকিমুক্ত করা।

নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জীবনযাত্রার খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে।

সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে বিদ্যুতের ভর্তুকি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে চায়। ভর্তুকি তুলে দিলে বিদ্যুতের দাম ৭৮% বৃদ্ধি পেতে পারে। ধাপে ধাপে দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করা হচ্ছে।

২০০৯ সালে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৯৪২ মেগাওয়াট, দাম ছিল ৩ টাকা ৭৩ পয়সা। বর্তমানে উৎপাদন ক্ষমতা বেড়েছে ২৯১৭৪ মেগাওয়াট। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে দাম বেড়েছে। গত বছরেই তিনদফায় বিদ্যুতের দাম ১৫% বৃদ্ধি করা হয়েছে।

কোন ক্ষেত্রে দামবৃদ্ধি?
২০০ ইউনিটের ওপর বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের দাম ৫% বাড়তে পারে।