স্কুলের হেড স্যরকে ফোন করে বিয়ে আটকাল নাবালিকা, জেনেনিন বিস্তারিত

শালবনিতে এক নাবালিকা কন্যা তার বিয়ে রুখে দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার পরেই তার বিয়ে ঠিক করেছিল পরিবার। মঙ্গলবার বিয়ের দিনও ঠিক করা হয়েছিল। বারবার বাড়ির লোকজনকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ফোন করে সব জানায় ওই ‘কন্যাশ্রী’। সে স্পষ্টভাবে বলে, “আমি এখন পড়তে চাই।”

অবশেষে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় বন্ধ হয়ে যায় নাবালিকার বিয়ে।

ঘটনার বিবরণ:

এই নাবালিকা কন্যা এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষার পরেই তার পরিবার তার বিয়ে ঠিক করে ফেলে। মঙ্গলবার বিয়ের দিনও ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু মেয়েটি বিয়ে করতে চায়নি। সে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চেয়েছিল। বারবার বাড়ির লোকজনকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাহায্য চায়।

প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা:

প্রধান শিক্ষক জানান, মঙ্গলবার সকালে মেয়েটি তাকে ফোন করে জানায় যে, তার বাবা-মা জোর করে তাকে বিয়ে দিতে চান। কিন্তু সে বিয়ে করতে চায় না। সে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়। প্রধান শিক্ষক ঘটনার গুরুত্ব বুঝতে পেরে স্কুলের কন্যাশ্রী ক্লাব, পরিচালন সমিতি, পুলিশ ও ব্লক অফিসের আধিকারিকদের জানান। এরপর সকলে মিলে মেয়েটির বাড়িতে যান এবং তার বাবা-মাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। প্রথমে তারা মেয়েটির ইচ্ছাকে উপেক্ষা করতে চান। কিন্তু পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয়।

ছেলের স্বীকারোক্তি:

প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ঘটনার পর মেয়েটির বরপক্ষের ছেলেটিও স্কুলে এসে ঘটনার কথা স্বীকার করে। সে কথা দেয় যে, মেয়েটির আঠারো বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত সে বিয়ে করবে না।

মেয়েটির সাহসের প্রশংসা:

প্রধান শিক্ষক মেয়েটির সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, “মেয়েটির এই রুখে দাঁড়ানো এবং প্রতিবাদী মনোভাবকে কুর্নিশ জানাই।”

এই ঘটনা থেকে আমরা কী শিক্ষা পেতে পারি?

এই ঘটনা থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মেয়েরা এখন তাদের ইচ্ছার কথা স্পষ্টভাবে বলতে পারছে এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করতে পারছে। এছাড়াও, এই ঘটনা স