“আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিতে পারি”, নাম না করে শাহজাহানকে নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি

শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। সন্দেশখালি মামলায় উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। তিনি বলেছেন, “তিনি একজন জেলা পরিষদের সদস্য। কোনওভাবেই তিনি আইন অমান্য করতে পারেন না। স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তাঁকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিতে পারি।”
প্রধান বিচারপতি আরও বলেছেন, “তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ১৮ দিন কেটে গেলেও কিছু হয়নি। জানি না কেউ তাঁকে নিরাপত্তা দিচ্ছে কি না। তাঁকে না ধরলে ১৪৪ ধারা প্রয়োগের কি অর্থ? সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে।”
এদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সন্দেশখালি যেতে কোনও বাধা নেই। শর্ত সাপেক্ষে যেতে তার অনুমতি দিয়েছে আদালত।
প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার এবং আদিবাসীদের জমি দখল করা নিয়ে বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের দায়ের করা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা শুনবে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানিতে ইডি ও সিবিআই-কে যুক্ত করা হল।
অন্যদিকে, সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা নিয়ে রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
এই ঘটনার পর থেকে শেখ শাহজাহান বেপাত্তা। এরই মধ্যে সন্দেশখালির মহিলারা উত্তর সর্দারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। ইতিমধ্যেই গোপন জবানবন্দি দেন এক মহিলা। শিবপ্রসাদ হাজরা এবং উত্তর সর্দারকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও অধরা শেখ শাহজাহান।