যক্ষ্মা রোগ নিরাময়ে কেন্দ্রের পুরস্কার পেলো বাংলা, বিশেষ কৃতিত্ব সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর

কেন্দ্রীয় সরকারের যক্ষ্মা মুক্তি কর্মসূচিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্য-কেন্দ্র দড়ি টানাটানির মাঝেও এই স্বীকৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলি:
জেলা স্তরে বেসরকারি হাসপাতালে সবথেকে বেশি যক্ষ্মা রোগীর নাম নথিভুক্তকরণ (দ্বিতীয় স্থান)সামগ্রিকভাবে বেসরকারি হাসপাতালে যক্ষ্মা নথিভুক্তকরণে দেশের শীর্ষ তালিকায় জায়গা (তৃতীয় স্থান)রোগীদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সুনির্দিষ্ট ওষুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে (এগিয়ে)

যক্ষ্মা রোগীর দেখভাল:
যক্ষ্মা রোগীর দেখভালের দায়িত্ব নেওয়া বা দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেওয়া হয়েছে বাংলা থেকে।যক্ষ্মা রোগীদের শুশ্রূষার ক্ষেত্রেও বাংলায় ভালো কাজ হয়েছে বলে উঠে এসেছে কেন্দ্রের রিপোর্টে।‘নিক্ষয় মিত্র’ কর্মসূচিতে রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশি দত্তক নিয়েছেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে সবথেকে বেশি নিক্ষয় মিত্র রয়েছেন (৩১৭ জন)।

এই সাফল্যের কারণ:
রাজ্য সরকারের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন।স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা।জনসচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি।এই পুরস্কারগুলি রাজ্য সরকারের যক্ষ্মা মুক্তি কর্মসূচির সাফল্যের স্বাক্ষর।

এছাড়াও,জেরিয়াট্রিক্স বিভাগে ‘সারল বিরল ব্যাধি’ পুরস্কার পেয়েছে সাফল্য মেডিক্যাল।এই পুরস্কার রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নের প্রমাণ।