হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই সন্দেশখালি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুকান্ত

শনিবার হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে দিল্লি উড়ে যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যবাসীর উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। নিজের মায়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এখন মা আমাকে ফোন করে আমার কুশলের সঙ্গে সন্দেশখালিবাসীরও কুশল জানতে চান।
সুকান্তবাবু বলেন, “আমার পরিবার অরাজনৈতিক। আমি পড়াশুনো করে অধ্যাপক হয়েছিলাম। তার পর রাজনীতিতে যোগ দিয়েছি। রাজনীতিতে যোগদানের পর থেকে রোজ মা ফোন করে ২টো কথা জিজ্ঞাসা করে। খেয়েছিস বাবা? ভালো আছিস তো? এই দুটো প্রশ্নের বাইরে তিনি কোনও দিন কিছু জিজ্ঞাসা করেননি। কিন্তু আমার মায়ের মতো মহিলাও এখন জিজ্ঞাসা করছেন, সন্দেশখালি কেমন আছে?”
তিনি আরও বলেন, “শারীরিক নিগ্রহ ছেড়ে দিন, আশা-কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হলে তৃণমূলের মিছিলে যেতে হবে। নইলে চাকরি থাকবে না। এই যে নির্যাতন এটাও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে পড়ে। ১৪৪ ধারা বলে আমাকে যেতে দেওয়া হল না। ওদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে ১৪৪ ধারার মধ্যে। তারা গিয়ে মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। যেন মানুষ অত্যাচারের কথা না বলে।”
সুকান্তবাবু জানান, দিল্লি সফরে দলীয় বৈঠকে সন্দেশখালি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন।
এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তীব্র তরঙ্গ সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলগুলি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করছে। তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য সুকান্তবাবুর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।