বিশেষ: দাদা বউদির বিরিয়ানি-র দায়িত্ব কাদের হাতে? দাদাগিরি-র মঞ্চ থেকে যা জানা গেলো

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’-র বিখ্যাত থালা হাতে নিয়ে যখন হাসিমুখে বিরিয়ানি পরিবেশন করছেন সানা, তখন নেটপাড়ায় কে এই ‘রহস্যময়ী’ তরুণী তা নিয়ে জিজ্ঞাসার ঝড় উঠেছিল।

এই পোস্টে আমরা ‘সানা’ কে, এবং তার সাথে ‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’-র সম্পর্ক কি, তা জানবো।

‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’-র ইতিহাস:
১৯৭৫ সালে ধীরেন ও সন্ধ্যা সাহা ব্যারাকপুরে মাত্র তিন কেজি চাল দিয়ে এই বিখ্যাত বিরিয়ানির যাত্রা শুরু করেন।বর্তমানে তাদের তিনটি আউটলেট রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই চতুর্থটি খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রতিদিন তাদের আউটলেটগুলো থেকে ৪-৫ হাজার প্লেট বিরিয়ানি বিক্রি হয়।এই বিখ্যাত চেনের টার্নওভার প্রায় ১০০ কোটি টাকা!

‘সানা’ কে?
সানা ‘দাদা বউদি বিরিয়ানি’-র সহ-মালিক সঞ্জীব সাহার কন্যা।তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সানা এবং তার বোন প্রিয়াঙ্কা দুজনেই পড়াশোনায় মনোযোগী।

‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’-র ভবিষ্যৎ:
বর্তমানে সঞ্জীব এবং রাজীব দুই ভাই এই বিখ্যাত বিরিয়ানি চেন পরিচালনা করছেন।তরুণ প্রজন্মের উপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে তাদের পড়াশোনার উপর মনোযোগ দেওয়ার জন্য তাদের সময় দেওয়া হচ্ছে।ভবিষ্যতে প্রিয়াঙ্কা এবং সানা এই ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানি ব্যবসার সাথে যুক্ত হবেন কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’-র সাফল্যের রহস্য:

সুস্বাদু বিরিয়ানি
বিশেষ মশলা এবং রান্নার পদ্ধতি
উচ্চমানের উপাদান
গরমের আতিথেয়তা:
আন্তরিক পরিবেশ
বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ

‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’ কেবল একটি খাবার নয়, এটি একটি ঐতিহ্য। ধীরেন ও সন্ধ্যা সাহা তাদের পরিশ্রম ও আন্তরিকতার মাধ্যমে এই ঐতিহ্য তৈরি করেছেন।
আশা করি এই পোস্ট ‘সানা’ কে এবং ‘দাদা বউদির বিরিয়ানি’-র সাথে তার সম্পর্ক সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করেছে।