“অনেক হয়েছে! আর কোনও মসজিদের দখল আমরা ছাড়ব না”-হুঁশিয়ারি দিলেন ওয়াইসি

এলাহাবাদ হাইকোর্টে মুসলিম পক্ষের আবেদন খারিজ হওয়ার পর, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের ব্যাস তেহখানায় পূজার্চনা শুরু হয়েছে। এই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও, হিন্দু পক্ষ তেহখানায় শিবলিঙ্গ স্থাপন করে নিয়মিত পূজা-অর্চনা করছে।
এদিকে, মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ নিয়েও বিতর্ক চলছে। হিন্দু পক্ষ দাবি করছে যে এই মসজিদ একটি প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের উপর নির্মিত।
এই পরিস্থিতিতে, অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুসলিম পক্ষ কোনও অবস্থাতেই জ্ঞানবাপীর দখল ছাড়বে না।
ওয়াইসি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে মসজিদের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রাখা হয়েছে। তবে, মসজিদের দখল কোনওভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না।
সোমবার হায়দরাবাদের সাংসদ বলেন, ‘অনেক হয়েছে। আর কোনও মসজিদের দখল ছাড়ব না।’
সেসময় ওয়াইসি বলেন, ‘অযোধ্যার রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ মামলার মতো পরিণতির দিকেই এগোচ্ছে বারণসীর জ্ঞানবাপী মামলা।’
এ প্রসঙ্গে ১৯৯২ সালে ৬ ডিসেম্বর কর সেবকদের হামলায় বাবরি ধ্বংসের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘আর একবার যদি প্রতিপক্ষ ৬ ডিসেম্বরের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় আমরাও দেখব কী করে তা হয়। আমরা একবার প্রতারিত হয়েছি, আর প্রতারিত হব না কোনও ভাবেই।’
জ্ঞানবাপী মামলায় নিষ্পত্তি তবে কী ভাবে সম্ভব? এ প্রশ্নের ওয়াইসির জবাব, ‘এই মামলা শেষ হবে না। আমরা এটি আইনিভাবে লড়ব। আদালতকে দেখাব যে আমাদের কাছে কী কী নথি রয়েছে।’ পাশাপাশি বাবরি মসজিদের পরিস্থিতির সঙ্গে জ্ঞানবাপীর পরিস্থিতির পার্থক্যও তুলে ধরেন ওয়াইসি। তাঁর কথায়, ‘জ্ঞানবাপীতে আমরা নমাজ পড়েছি। বাবরি মসজিদ মামলার যুক্তি ছিল যে মুসলিমরা সেখানে নমাজ পড়েন না। তবে এখানে আমরা একটানা নমাজ পড়ছি। ১৯৯৩ সাল থেকে কোনও পূজা করা হয়নি এখানে।’