Ram Mandir: দরজা খুলতেই পুণ্যার্থীদের ঢল অযোধ্যায়, মন্দির খোলার প্রথম দিনে কত ভিড়?

রাম মন্দির উদ্বোধনের পরদিন মঙ্গলবার থেকে সাধারণ ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় মন্দির। উদ্বোধনের পরদিনই অযোধ্যায় ছুটে যান পাঁচ লাখের বেশি ভক্ত।

মন্দির খোলার আগে থেকেই সেখানে ভক্তদের আনাগোনা লেগে ছিল। উদ্বোধনের পর তো কথাই নেই! রাম আবেগে ভেসে লাখ লাখ ভক্ত ভিড় জমাচ্ছেন রামনগরীতে। একটিবারের জন্য রামলালার দর্শন পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন ভক্তরা।

মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে রামলালার দর্শন শুরু হলেও তার অনেক আগে থেকেই হাজার হাজার ভক্ত ভিড় জমাতে শুরু করেন রাম মন্দির প্রাঙ্গনে। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের তরফে সবরকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্বিঘ্নে যাতে সকলের দর্শন হয় তার জন্য সকল ভক্তকে সারবদ্ধ ভাবে দাঁড় করানো অর্থাৎ প্রত্যেকে লাইনে দাঁড় করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রামপথ থেকে রামজনভূমি পথ পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

স্ত্রী ও এক বছরের মেয়ে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন পুণের কিরণ দেব। তিনি জানান, সোমবার পৌঁছে গেলেও তিনি অযোধ্যা নগরীর বাইরেই ছিলেন। যতই লাইন থাকুক না কেন ‘কুছ পরোয়া নেহি’। রামলালার দর্শন পাওয়ার জন্য এটুকু কষ্ট তো করাই যায়।

এদিকে মন্দিরের ভিতর ভিড় সামলাতে হিমশিম অবস্থা। চেষ্টার কসুর করা হচ্ছে না। একেবারে সকল ভক্তদের গর্ভগৃহের ভিতর প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। কিছুক্ষণ পরে পরে খুলছে গর্ভগৃহের মূল প্রবেশ দ্বার। সেখান দিয়ে কিছু সংখ্যক প্রবেশ করার পর আবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দরজা। তাঁদের দর্শন সম্পূর্ণ হলে আবার নতুন করে ভক্তদের প্রবেশে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রামলালার দর্শনের জন্য তিনটি করে লাইন তৈরি করা হয়েছে। একসঙ্গেই তিনজন করে তিনটি লাইন থেকে ভক্তদের মন্দিরের ভিতরে পাঠানো হচ্ছে। বয়স্ক ও বিশেষভাবে সক্ষমদের দুই সপ্তাহ বাদে রাম মন্দিরে আসার অনুরোধ করা হয়েছে।

ভক্তদের ভিড় সামলাতে পুলিশকে রীতিমতো বেগ পেতে হয়। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে প্রথমে হেলিকপ্টারে করে লখনউ থেকে উত্তর প্রদেশের পদস্থ কর্তারা অযোধ্যা মন্দির চত্বরে আসেন। পরে আসরে নামেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।