দক্ষিণ কোরিয়া ও অযোধ্যার গভীর যোগসূত্র, রাম মন্দির উদ্বোধনে বিশ্ব জুড়ে উচ্ছ্বাস

রাম ও অযোধ্যার গল্প শুধু ভারতেই নয়, বিদেশেও জনপ্রিয়। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের সঙ্গে অযোধ্যার যোগসূত্রের খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। এবার জানা গেল, দক্ষিণ কোরিয়া ও অযোধ্যার মধ্যেও রয়েছে গভীর যোগসূত্র।
প্রায় ২ হাজার বছর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজা কিম সুরোর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল অযোধ্যার রাজকুমারী সূরীরত্নার। পরে তাঁর নাম হয়েছিল হং ওক। এই দম্পতিই নাকি তৈরি করেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার কারক ডায়ানাস্টি। বৈবাহিক এই যোগসূত্রের জন্য প্রতি বছর দক্ষিণ কোরিয়া থেকে প্রচুর মানুষ অযোধ্যায় আসেন তাঁদের পূর্বসূরীকে শ্রদ্ধা জানাতে।
রামমন্দির উদ্বোধনের এই বিশেষ দিনে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। দিল্লির দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাস থেকে দেওয়া বার্তায় ২ হাজার বছর আগের সেই বিবাহের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। রাজকুমারীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজার বিয়ে, অযোধ্যার সঙ্গে একটি বড় প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে বলে এক্স বার্তায় জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে রাম মন্দির উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আধ্যাত্মিক বন্ধন আরও জোরদার করবে বলেও করা হয়েছে আশাপ্রকাশ।
ইজরায়েলও রাম মন্দির উদ্বোধনের জন্য ভারত সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত নর গিলন রাম মন্দির দর্শনকে তাঁর জীবনের সেরা মুহুর্ত বলে আশাপ্রকাশ করেছেন।
রাম ও অযোধ্যার গল্প শুধু ভারতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই গল্পের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বিশ্বের মানুষকে একত্রিত করছে।